আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
৯ বছরের মেয়েকে খাবার খেতে দিয়ে বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন মা। আধা ঘণ্টা পর ঘরে এসে দেখেন গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আড়ার সঙ্গে মেয়েটির লাশ ঝুলছে। পরে তার মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওইদিন রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার কিশোর ও দুই তরুণকে আটক করে।
নেত্রকোনার এসপি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণ শেষে ঝুলিয়ে রাখা হয়। যারা এ কাজটি করেছে, আশা করি দ্রুত তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
জানা যায়, ওই শিশুটি বিক্রমশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তিন ভাইবোনের মধ্যে শিশুটি বড়। তার বাবা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। তিনি শুক্রবার সকালে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়েছিলেন। দুপুরে এসে ভাত খেয়ে আবার বেরিয়ে পড়েন তিনি।
শিশুটির মা বলেন, ‘আমার মেয়েরে ভাত বাইড়া দিয়া ছাগল আনতাম গেছিলাম। ঘরে কেউ ছিল না। যাওয়ার সময় পাশে দোকানের কাছে তিনজন ছেরারে দেইখ্যা গেয়েছিলাম। পরে ফিইরা আওনের সময় তারারে আর পাই নাই। আমি ঘরে গিয়া মানুষসহ আমার মাইয়াডারে ধর্না থাইক্কা নামাই। আমার ছোট্ট শিশুটার সাথে যারা এই কাম করছে, আমি তারার ফাঁসি চাই।’
এসপি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল সরকারসহ পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের বয়স ১২ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। আর দুজনের বয়স ২২ বছর। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করতে অভিযান চলছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















