ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিট ও লাউঞ্জসহ বিশেষ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হবে আরও ৪ শিশুর প্রাণ গেল, হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৮০০ ছুঁই ছুঁই মোদি-শাহ’র পদত্যাগ দাবি রাহুল গান্ধীর শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না: সরোয়ার তুষার বিএনপি সরকার হাওয়ায় ভেসে আসেনি: আযম খান

মরে যাওয়া তারার চারপাশে রহস্যময় মেঘ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এক তারার শেষ সময়। আর সেই শেষ যাত্রার ছবি তুলেছে নাসা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তারাটির চারপাশে গ্যাস ও ধুলোর উজ্জ্বল মেঘ। আকারে সেটি অনেকটা মানুষের মস্তিষ্কের মতো। তাই বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘এক্সপোজড ক্রেনিয়াম’ (অর্থাৎ খোলা খুলি)। এর সরকারি নাম পিএমআর–১।

নাসা জানিয়েছে, এই ছবি তুলেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। কোনো তারা যখন জীবনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন সে তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছুড়ে ফেলে। সেই গ্যাস ও ধুলো মিলেই তৈরি হয় নীহারিকা (আলোকিত গ্যাসের মেঘ)। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নানা রঙ ও আকৃতি ধারণ করে।

নাসার বিবৃতিতে বলা হয়, ছবিতে বাইরের যে খোলস দেখা যাচ্ছে, তা মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস। এটি প্রথমে বাইরে ছিটকে গিয়েছিল। ভেতরের অংশে রয়েছে আরও জটিল গ্যাসের মেঘ। মাঝখানে যে কালো রেখা দেখা যায়, তা সম্ভবত কেন্দ্রে থাকা মরতে থাকা তারার শক্তিশালী বিস্ফোরণের (তীব্র শক্তি নির্গমন) ফল।

এই নীহারিকাটি প্রথম ১০ বছরেরও বেশি আগে স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলোতে শনাক্ত করেছিল। এখন জেমস ওয়েব আরও স্পষ্ট ও পরিষ্কার ছবি তুলেছে। এতে এর মস্তিষ্কের মতো গঠন পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে। এটি বিগ ব্যাংয়ের পর আলো থেকে শুরু করে তারা, গ্রহ ও সৌরজগতের সৃষ্টি পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা করছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যদি তারাটি খুব বড় হয়, তবে ভবিষ্যতে এটি সুপারনোভা (বিশাল বিস্ফোরণ) হিসেবেও ফেটে যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী

মরে যাওয়া তারার চারপাশে রহস্যময় মেঘ

আপডেট সময় ১০:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এক তারার শেষ সময়। আর সেই শেষ যাত্রার ছবি তুলেছে নাসা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তারাটির চারপাশে গ্যাস ও ধুলোর উজ্জ্বল মেঘ। আকারে সেটি অনেকটা মানুষের মস্তিষ্কের মতো। তাই বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘এক্সপোজড ক্রেনিয়াম’ (অর্থাৎ খোলা খুলি)। এর সরকারি নাম পিএমআর–১।

নাসা জানিয়েছে, এই ছবি তুলেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। কোনো তারা যখন জীবনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন সে তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছুড়ে ফেলে। সেই গ্যাস ও ধুলো মিলেই তৈরি হয় নীহারিকা (আলোকিত গ্যাসের মেঘ)। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নানা রঙ ও আকৃতি ধারণ করে।

নাসার বিবৃতিতে বলা হয়, ছবিতে বাইরের যে খোলস দেখা যাচ্ছে, তা মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস। এটি প্রথমে বাইরে ছিটকে গিয়েছিল। ভেতরের অংশে রয়েছে আরও জটিল গ্যাসের মেঘ। মাঝখানে যে কালো রেখা দেখা যায়, তা সম্ভবত কেন্দ্রে থাকা মরতে থাকা তারার শক্তিশালী বিস্ফোরণের (তীব্র শক্তি নির্গমন) ফল।

এই নীহারিকাটি প্রথম ১০ বছরেরও বেশি আগে স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলোতে শনাক্ত করেছিল। এখন জেমস ওয়েব আরও স্পষ্ট ও পরিষ্কার ছবি তুলেছে। এতে এর মস্তিষ্কের মতো গঠন পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে। এটি বিগ ব্যাংয়ের পর আলো থেকে শুরু করে তারা, গ্রহ ও সৌরজগতের সৃষ্টি পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা করছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যদি তারাটি খুব বড় হয়, তবে ভবিষ্যতে এটি সুপারনোভা (বিশাল বিস্ফোরণ) হিসেবেও ফেটে যেতে পারে।