ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করব না : ববি হাজ্জাজ সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় বিএনপিকর্মীর মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ পোল্যান্ডের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ সাবেক ব্রিটিশ রাজপুত্র অ্যান্ড্রু গ্রেফতার ইউনূস সরকার ৩০ লাখ মানুষকে গরিব করেছে, দাবি আমজনতার তারেকের অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তিগুলো খতিয়ে দেখা উচিত: দেবপ্রিয় গাজীপুরে এমপি রনির উদ্যোগে মাসব্যাপী গণইফতার ট্রাইব্যুনালের বিচার কাজ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়: আখতার ‘সংস্কার-নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে’

নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

কয়েকদিন পরই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। এর আগেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন টালিউড নায়ক ও বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছেন আরেক অভিনেতা-রাজনীতিবিদ শাহিদ ইমাম।

শাহিদের অভিযোগ, সোহম তার থেকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ঋণের সামান্য অংশ ফেরত দিলে বাকিটা ফেরত দেননি। এমনিক শাহিদকে নাকি হুমকি দিচ্ছেন সোহম।

তবে সোহম হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। টাকা ফেরত দেব একাধিক বার জানিয়েছি। নির্বাচনের আগে আমায় কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অভিনয় দুনিয়ায় শাহিদ ‘শুভম’ নামে পরিচিত। তিনি জানিয়েছেন, সোহমের সঙ্গে তার পরিচয় দীর্ঘদিনের। সেই সুবাদে তিনি ২০২১ সালে অভিনেতা-প্রযোজক সোহমকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার দেন।

শাহিদের কথায়, অভিনয়ের পাশাপাশি সেই সময় আমি তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা। ২০২৩ সালে এসএসসিকাণ্ডে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০২৩ সালে মুক্তি পান শাহিদ।

তিনি বলেন, সংশোধনাগারে থাকার ফলে আমি টাকা ফেরত চাইতে পারিনি। ২০২৩ সালে জামিন পাই। সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে যোগাযোগ করি সোহমের সঙ্গে। তার থেকে টাকা ফেরত চাই।

শাহিদের কথা অনুযায়ী, সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লক্ষ টাকা তাকে ফেরত দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। তার পরেই তিনি নীরব।

শাহিদের দাবি, দু’বছর অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে সোমবার সোহমের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মামলা দায়ের করেছি। মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করি চারু মার্কেট থানায়।

তবে যার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই অভিযুক্ত সোহম কিন্তু ঋণ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। বিস্তারিত জানিয়েছেন সে সম্পর্কে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে ‘পাকা দেখা’ ছবির কারণে ৬৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম শাহিদের থেকে। তার আরও বেশি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা দেননি। তখন অন্যদের থেকে বাকি টাকা জোগাড় করি। এরপর ২৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেন। বাকি ৪৩ লক্ষ টাকাও মিটিয়ে দেব, বার বার বলেছি শাহিদকে। আমার কয়েকটি ছবি আটকে। বাংলা ছবির ব্যবসার অবস্থাও সকলের জানা। ফলে, ছবিমুক্তি না ঘটলে বা হাতে টাকা না এলে কী করে ঋণশোধ করব? শাহিদ আমার অবস্থাটাই বুঝলেন না!

সোহম বলেন, আইনি নোটিশ পেয়েছি। আমার আইনজীবী বিষয়টি দেখছেন। শাহিদ আইনি পথে হাঁটলে আমিও আইনি পদক্ষেপ করব। তবে উনি কোন কালে যুবনেতা ছিলেন, সেটা জানি না। সোহমের আক্ষেপ, সামনে নির্বাচন আসছে বলেই হয়তো পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম

আপডেট সময় ০৪:১২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

কয়েকদিন পরই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। এর আগেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন টালিউড নায়ক ও বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছেন আরেক অভিনেতা-রাজনীতিবিদ শাহিদ ইমাম।

শাহিদের অভিযোগ, সোহম তার থেকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ঋণের সামান্য অংশ ফেরত দিলে বাকিটা ফেরত দেননি। এমনিক শাহিদকে নাকি হুমকি দিচ্ছেন সোহম।

তবে সোহম হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। টাকা ফেরত দেব একাধিক বার জানিয়েছি। নির্বাচনের আগে আমায় কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অভিনয় দুনিয়ায় শাহিদ ‘শুভম’ নামে পরিচিত। তিনি জানিয়েছেন, সোহমের সঙ্গে তার পরিচয় দীর্ঘদিনের। সেই সুবাদে তিনি ২০২১ সালে অভিনেতা-প্রযোজক সোহমকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার দেন।

শাহিদের কথায়, অভিনয়ের পাশাপাশি সেই সময় আমি তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা। ২০২৩ সালে এসএসসিকাণ্ডে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০২৩ সালে মুক্তি পান শাহিদ।

তিনি বলেন, সংশোধনাগারে থাকার ফলে আমি টাকা ফেরত চাইতে পারিনি। ২০২৩ সালে জামিন পাই। সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে যোগাযোগ করি সোহমের সঙ্গে। তার থেকে টাকা ফেরত চাই।

শাহিদের কথা অনুযায়ী, সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লক্ষ টাকা তাকে ফেরত দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। তার পরেই তিনি নীরব।

শাহিদের দাবি, দু’বছর অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে সোমবার সোহমের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মামলা দায়ের করেছি। মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করি চারু মার্কেট থানায়।

তবে যার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই অভিযুক্ত সোহম কিন্তু ঋণ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। বিস্তারিত জানিয়েছেন সে সম্পর্কে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে ‘পাকা দেখা’ ছবির কারণে ৬৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম শাহিদের থেকে। তার আরও বেশি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা দেননি। তখন অন্যদের থেকে বাকি টাকা জোগাড় করি। এরপর ২৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেন। বাকি ৪৩ লক্ষ টাকাও মিটিয়ে দেব, বার বার বলেছি শাহিদকে। আমার কয়েকটি ছবি আটকে। বাংলা ছবির ব্যবসার অবস্থাও সকলের জানা। ফলে, ছবিমুক্তি না ঘটলে বা হাতে টাকা না এলে কী করে ঋণশোধ করব? শাহিদ আমার অবস্থাটাই বুঝলেন না!

সোহম বলেন, আইনি নোটিশ পেয়েছি। আমার আইনজীবী বিষয়টি দেখছেন। শাহিদ আইনি পথে হাঁটলে আমিও আইনি পদক্ষেপ করব। তবে উনি কোন কালে যুবনেতা ছিলেন, সেটা জানি না। সোহমের আক্ষেপ, সামনে নির্বাচন আসছে বলেই হয়তো পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।