ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চেক ডিজঅনার মামলায় এনসিপি নেতা ও সাংবাদিক আসাদুল্লাহ গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে এনসিপির ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ছিলেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রাম থেকে তাকে কামালপুর ফাঁড়ি পুলিশ গ্রেফতার করে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।

‎মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রেস উইংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া বিষয়ক উপকমিটিরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কর্মরত আছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের জামালপুর জেলার এক ব্যক্তির চেক ডিজঅনারের মামলায় এক মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড মামলার আসামি ছিলেন তিনি।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হয়ে প্রচারণায় আসছিলেন নিজ এলাকায়। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাতে কামালপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।

তবে আসাদের পরিবারে অভিযোগ, নির্বাচনের পরদিন (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাসায় গিয়ে আসাদ ও তার বাবার গায়ে রং মাখিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে ছাত্রদল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা আসাদের ওপর আক্রমণ করে। এরপর পুরোনো মামলায় তাকে হেনস্তার উদ্দেশ্য পুলিশ ডেকে গ্রেফতার করায়।

আসাদুল্লাহর স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পারিবারিক ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এত রাতে বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।

সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

চেক ডিজঅনার মামলায় এনসিপি নেতা ও সাংবাদিক আসাদুল্লাহ গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:২৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে এনসিপির ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ছিলেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রাম থেকে তাকে কামালপুর ফাঁড়ি পুলিশ গ্রেফতার করে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।

‎মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রেস উইংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া বিষয়ক উপকমিটিরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কর্মরত আছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের জামালপুর জেলার এক ব্যক্তির চেক ডিজঅনারের মামলায় এক মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড মামলার আসামি ছিলেন তিনি।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হয়ে প্রচারণায় আসছিলেন নিজ এলাকায়। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাতে কামালপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।

তবে আসাদের পরিবারে অভিযোগ, নির্বাচনের পরদিন (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাসায় গিয়ে আসাদ ও তার বাবার গায়ে রং মাখিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে ছাত্রদল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা আসাদের ওপর আক্রমণ করে। এরপর পুরোনো মামলায় তাকে হেনস্তার উদ্দেশ্য পুলিশ ডেকে গ্রেফতার করায়।

আসাদুল্লাহর স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পারিবারিক ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এত রাতে বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।

সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।