ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচি পরিবর্তন

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

আর কিছুদিন পরই মাহে রমজান। এ সময় মুসলিম ধর্মাবলম্বী ডায়াবেটিস রোগীদের (যারা রোজা রাখেন) ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়।

* রক্ত পরীক্ষার আদর্শ সময়:

দৈনিক অন্তত ৩ থেকে ৪ বার (উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আরও বেশি) ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত।

► সেহরির আগে : সেহরি খাওয়ার ঠিক আগে (ওষুধের ডোজ ঠিক করতে)।

► সকালে : সেহরির ২ ঘণ্টা পর।

► দুপুর ও বিকালে : বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এবং বিকাল ৪টার দিকে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি বোঝার জন্য)।

► ইফতারের ঠিক আগে : ইফতারের অল্প সময় আগে।

► ইফতারের পর : ইফতার করার ২ ঘণ্টা পর।

► অসুস্থ বোধ করলে : যে কোনো সময় যদি শরীর খারাপ লাগে, মাথা ঘোরে বা অতিরিক্ত ঘাম হয়।

* কখন রোজা দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে-

সুগার পরীক্ষার ফল যদি নিচের মতো হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত রোজা ভেঙে ফেলা জরুরি।

► সুগার খুব কমে গেলে : 3.9 mmol/L (70 mg/dL)-এর নিচে হলে।

► সুগার খুব বেড়ে গেলে : 16.6 mmol/L (300 mg/dL)-এর বেশি হলে।

► মারাত্মক অসুস্থতা : প্রচণ্ড পানিশূন্যতা, বমি বা জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হলে।

* রোজার সময় ওষুধ-

► একবার গ্রহণের ওষুধ : যদি কোনো ওষুধ দিনে একবার নিতে হয়, তবে সাধারণত তা ইফতারের সময় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

► একাধিকবার গ্রহণের ওষুধ : দিনে দুইবার বা তিনবার গ্রহণের ক্ষেত্রে, ইফতার এবং সেহরির সময়ের মধ্যে মাত্রা ভাগ করে নেওয়া। এক্ষেত্রে সকালের মাত্রা ইফতারে এবং রাতের মাত্রা সেহরিতে নেওয়া হয়, অথবা মাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয়।

► মেটফর্মিন (Metformin) : সাধারণত এটি সেহরি ও ইফতারের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে অথবা বেশির ভাগ মাত্রা ইফতারে নেওয়া হয়।

► সালফোনাইলইউরিয়া, ইনসুলিন : এ ওষুধগুলো হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এগুলোর মাত্রা কমানো বা সময় পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।

► ইনসুলিন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ইফতারের আগে স্বাভাবিক মাত্রা এবং সেহরির আগে কম মাত্রা বা অর্ধেক মাত্রা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচি পরিবর্তন

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

আর কিছুদিন পরই মাহে রমজান। এ সময় মুসলিম ধর্মাবলম্বী ডায়াবেটিস রোগীদের (যারা রোজা রাখেন) ওষুধের মাত্রা ও সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়।

* রক্ত পরীক্ষার আদর্শ সময়:

দৈনিক অন্তত ৩ থেকে ৪ বার (উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আরও বেশি) ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত।

► সেহরির আগে : সেহরি খাওয়ার ঠিক আগে (ওষুধের ডোজ ঠিক করতে)।

► সকালে : সেহরির ২ ঘণ্টা পর।

► দুপুর ও বিকালে : বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এবং বিকাল ৪টার দিকে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি বোঝার জন্য)।

► ইফতারের ঠিক আগে : ইফতারের অল্প সময় আগে।

► ইফতারের পর : ইফতার করার ২ ঘণ্টা পর।

► অসুস্থ বোধ করলে : যে কোনো সময় যদি শরীর খারাপ লাগে, মাথা ঘোরে বা অতিরিক্ত ঘাম হয়।

* কখন রোজা দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে-

সুগার পরীক্ষার ফল যদি নিচের মতো হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত রোজা ভেঙে ফেলা জরুরি।

► সুগার খুব কমে গেলে : 3.9 mmol/L (70 mg/dL)-এর নিচে হলে।

► সুগার খুব বেড়ে গেলে : 16.6 mmol/L (300 mg/dL)-এর বেশি হলে।

► মারাত্মক অসুস্থতা : প্রচণ্ড পানিশূন্যতা, বমি বা জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হলে।

* রোজার সময় ওষুধ-

► একবার গ্রহণের ওষুধ : যদি কোনো ওষুধ দিনে একবার নিতে হয়, তবে সাধারণত তা ইফতারের সময় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

► একাধিকবার গ্রহণের ওষুধ : দিনে দুইবার বা তিনবার গ্রহণের ক্ষেত্রে, ইফতার এবং সেহরির সময়ের মধ্যে মাত্রা ভাগ করে নেওয়া। এক্ষেত্রে সকালের মাত্রা ইফতারে এবং রাতের মাত্রা সেহরিতে নেওয়া হয়, অথবা মাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয়।

► মেটফর্মিন (Metformin) : সাধারণত এটি সেহরি ও ইফতারের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে অথবা বেশির ভাগ মাত্রা ইফতারে নেওয়া হয়।

► সালফোনাইলইউরিয়া, ইনসুলিন : এ ওষুধগুলো হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এগুলোর মাত্রা কমানো বা সময় পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।

► ইনসুলিন ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ইফতারের আগে স্বাভাবিক মাত্রা এবং সেহরির আগে কম মাত্রা বা অর্ধেক মাত্রা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।