ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুসহ ৯ প্রধান প্রতিশ্রুতি বিএনপির ইশতেহারে দেশের স্বার্থ সবকিছুর ঊর্ধ্বে : সালাহউদ্দিন এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ইমরানুর অপশক্তির কাছে দেশ, জাতি ও জনগণ নিরাপদ নয় : খোকন প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা নতুন করে চোর-দুর্নীতিবাজদের জন্ম হতে দেব না,মেহেরবানী করে একবার সুযোগ দিন: জামায়াত আমির নৌ উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান ৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের জলকামান-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় সংঘর্ষ, ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ভারতের যেকোনো উসকানির জবাব দৃঢ়ভাবে দেবে পাকিস্তান: শাহবাজ শরিফ

প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সাদা কাপড় পরে এসেছি। প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়বো।’ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন।

নরসিংদী থেকে আসা এক সরকারি কর্মচারী বলেন, গত ৯ বছর ধরে তাদের বেতন একই জায়গায় আটকে রয়েছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না থাকায় জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল, ডাল, তেলের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? এই বেতনে সন্তান পড়াব, না বাসা ভাড়া দেব? কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের ন্যায্য পে স্কেল চাই।

মানিকগঞ্জ থেকে আসা সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শুধু আশ্বাস শুনে তারা ক্লান্ত। এবার আর মৌখিক আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চান তারা। তার ভাষায়, বারবার আশ্বাস শুনে আমরা ক্লান্ত। আজ আর আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বলেছিল। অথচ সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ৯ মাস ধরে শুধু সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির তীব্র চাপের চিত্র। তারা জানান, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান বেতন কাঠামোয় পরিবার চালানো কার্যত অসম্ভব। অনেকেই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন, ব্যাহত হচ্ছে সন্তানের পড়াশোনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়ব’:আন্দোলনকারীরা

আপডেট সময় ০২:০০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সাদা কাপড় পরে এসেছি। প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে স্কেল আদায় করেই ছাড়বো।’ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন।

নরসিংদী থেকে আসা এক সরকারি কর্মচারী বলেন, গত ৯ বছর ধরে তাদের বেতন একই জায়গায় আটকে রয়েছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না থাকায় জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল, ডাল, তেলের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? এই বেতনে সন্তান পড়াব, না বাসা ভাড়া দেব? কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের ন্যায্য পে স্কেল চাই।

মানিকগঞ্জ থেকে আসা সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শুধু আশ্বাস শুনে তারা ক্লান্ত। এবার আর মৌখিক আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চান তারা। তার ভাষায়, বারবার আশ্বাস শুনে আমরা ক্লান্ত। আজ আর আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বলেছিল। অথচ সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ৯ মাস ধরে শুধু সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির তীব্র চাপের চিত্র। তারা জানান, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান বেতন কাঠামোয় পরিবার চালানো কার্যত অসম্ভব। অনেকেই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন, ব্যাহত হচ্ছে সন্তানের পড়াশোনা।