ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন করে চোর-দুর্নীতিবাজদের জন্ম হতে দেব না,মেহেরবানী করে একবার সুযোগ দিন: জামায়াত আমির ৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের জলকামান-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় সংঘর্ষ, ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ভারতের যেকোনো উসকানির জবাব দৃঢ়ভাবে দেবে পাকিস্তান: শাহবাজ শরিফ যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা ৯ম পে-স্কেলের গেজেট বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের সমাবেশ সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল বাংলাদেশও শেখ হাসিনা রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না: দ্য উইককে ফখরুল মুন্সীগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রলির নিচে ঢুকে পড়ল বাইক, তিন বন্ধু নিহত বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় সংঘর্ষ, ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে ও এর আশপাশ এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, রাষ্ট্রীয় ভবন যমুনার নিরাপত্তায় কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে সকালে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সরকারি চাকরিজীবীরা। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করেন।

এরপর বেলা ১১টার দিকে মিছিলটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী সড়কে এ সংঘর্ষ চলে। এরপর আবারও থেকে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সেখানে তিনি ১৪৪ ধারা জারির তথ্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নতুন করে চোর-দুর্নীতিবাজদের জন্ম হতে দেব না,মেহেরবানী করে একবার সুযোগ দিন: জামায়াত আমির

প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় সংঘর্ষ, ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আপডেট সময় ১২:৩০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে ও এর আশপাশ এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, রাষ্ট্রীয় ভবন যমুনার নিরাপত্তায় কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে সকালে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সরকারি চাকরিজীবীরা। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করেন।

এরপর বেলা ১১টার দিকে মিছিলটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী সড়কে এ সংঘর্ষ চলে। এরপর আবারও থেকে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সেখানে তিনি ১৪৪ ধারা জারির তথ্য দেন।