ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে গ্রামপুলিশের আত্মহত্যা চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু: স্পিকার জনগণের কাছে যান, শহর ঘুরে দেখুন: সিটি প্রশাসকদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ২৩ দেশে এমএলএআর পাঠিয়েছে সরকার:সংসদে অর্থমন্ত্রী তীব্র বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ভুয়া প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত হয়েছে ইরান: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সকালের যে ৫টি অভ্যাস আপনাকে রাখবে সতেজ

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

করোনা–পরবর্তী সময়ে মানুষ আগের তুলনায় স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হলেও ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও হাড়–জয়েন্টের সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা কমছে না। বরং কম বয়সীরাও জয়েন্টের ব্যথা, ক্লান্তি ও শারীরিক অস্বস্তিতে ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর অন্যতম কারণ সেডেন্টারি বা দীর্ঘ সময় বসে থাকা জীবনধারা।

তবে দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যুক্ত করলেই এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষ করে ঘুম থেকে ওঠার পরের প্রথম ৩০ মিনিট যদি সচেতনভাবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে শরীর ও মন দুটোই থাকবে সতেজ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সকালে কী কী অভ্যাস সুস্থ থাকতে সাহায্য করে—

হাইড্রেশন দিয়ে দিন শুরু:

রাতে টানা ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমের সময় শরীর দীর্ঘক্ষণ পানি পায় না। ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর কিছুটা ডিহাইড্রেটেড থাকে। তাই সকালে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করা জরুরি।
ঈষদুষ্ণ পানি পান করতে পারেন। চাইলে এতে সামান্য লেবু মিশিয়ে নেওয়া যায়। তবে খালি পেটে চা বা কফি পান না করাই ভালো।

হালকা স্ট্রেচিং:

ঘুম থেকে উঠে মুখ ধোয়া বা গোসলের আগে ৫–১০ মিনিট হালকা স্ট্রেচিং শরীরকে সক্রিয় করে তোলে। এতে জয়েন্টের শক্ত ভাব কমে, শরীরের নমনীয়তা বাড়ে এবং সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি পাওয়া যায়।

সকালের রোদে দাঁড়ান:

সকালের রোদ শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যা হাড় ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন অন্তত ১০–১৫ মিনিট রোদে দাঁড়ানোর অভ্যাস করুন।

ব্যায়াম বা শরীরচর্চা:

যদি নিয়মিত ওয়ার্কআউট করার সময় না পান, তাহলে অন্তত হালকা এক্সারসাইজ করুন। আর ফিট থাকতে চাইলে সকালেই ব্যায়াম সেরে নেওয়াই ভালো।

ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইকেলিং, সাঁতার বা জিম—যেটা সুবিধাজনক মনে হয়, সেটাই বেছে নিন। সকালে ব্যায়াম করলে সারাদিন কাজের শক্তি থাকে, মনও থাকে ফুরফুরে।

দিনের কাজ পরিকল্পনা:

সকালে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে সারাদিনের কাজ গুছিয়ে নিন। কী কী করবেন, কখন কোথায় যাবেন বা কী রান্না করবেন—এগুলো আগেই ঠিক করে নিলে ব্যস্ততার মধ্যেও কাজগুলো সময়মতো করা সহজ হয়। মানসিক চাপও কমে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকার জন্য বড় কোনো পরিবর্তন নয়—এই ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় সুফল এনে দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সকালের যে ৫টি অভ্যাস আপনাকে রাখবে সতেজ

আপডেট সময় ১১:১১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

করোনা–পরবর্তী সময়ে মানুষ আগের তুলনায় স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হলেও ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও হাড়–জয়েন্টের সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা কমছে না। বরং কম বয়সীরাও জয়েন্টের ব্যথা, ক্লান্তি ও শারীরিক অস্বস্তিতে ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর অন্যতম কারণ সেডেন্টারি বা দীর্ঘ সময় বসে থাকা জীবনধারা।

তবে দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যুক্ত করলেই এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষ করে ঘুম থেকে ওঠার পরের প্রথম ৩০ মিনিট যদি সচেতনভাবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে শরীর ও মন দুটোই থাকবে সতেজ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সকালে কী কী অভ্যাস সুস্থ থাকতে সাহায্য করে—

হাইড্রেশন দিয়ে দিন শুরু:

রাতে টানা ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমের সময় শরীর দীর্ঘক্ষণ পানি পায় না। ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর কিছুটা ডিহাইড্রেটেড থাকে। তাই সকালে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করা জরুরি।
ঈষদুষ্ণ পানি পান করতে পারেন। চাইলে এতে সামান্য লেবু মিশিয়ে নেওয়া যায়। তবে খালি পেটে চা বা কফি পান না করাই ভালো।

হালকা স্ট্রেচিং:

ঘুম থেকে উঠে মুখ ধোয়া বা গোসলের আগে ৫–১০ মিনিট হালকা স্ট্রেচিং শরীরকে সক্রিয় করে তোলে। এতে জয়েন্টের শক্ত ভাব কমে, শরীরের নমনীয়তা বাড়ে এবং সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি পাওয়া যায়।

সকালের রোদে দাঁড়ান:

সকালের রোদ শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যা হাড় ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন অন্তত ১০–১৫ মিনিট রোদে দাঁড়ানোর অভ্যাস করুন।

ব্যায়াম বা শরীরচর্চা:

যদি নিয়মিত ওয়ার্কআউট করার সময় না পান, তাহলে অন্তত হালকা এক্সারসাইজ করুন। আর ফিট থাকতে চাইলে সকালেই ব্যায়াম সেরে নেওয়াই ভালো।

ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইকেলিং, সাঁতার বা জিম—যেটা সুবিধাজনক মনে হয়, সেটাই বেছে নিন। সকালে ব্যায়াম করলে সারাদিন কাজের শক্তি থাকে, মনও থাকে ফুরফুরে।

দিনের কাজ পরিকল্পনা:

সকালে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে সারাদিনের কাজ গুছিয়ে নিন। কী কী করবেন, কখন কোথায় যাবেন বা কী রান্না করবেন—এগুলো আগেই ঠিক করে নিলে ব্যস্ততার মধ্যেও কাজগুলো সময়মতো করা সহজ হয়। মানসিক চাপও কমে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকার জন্য বড় কোনো পরিবর্তন নয়—এই ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় সুফল এনে দেয়।