ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ভুল তথ্য ছড়িয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে : আহসান মনসুর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, কিছু লোক টাকার বিনিময়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উসকানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে, গুজব ছড়াচ্ছে, এটি বেশিদিন চলবে না। বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই ব্যাংকের সব লেনদেন খুলে দেওয়া হয়েছে, আমানতে সর্বোচ্চ ৯.৫ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে। একবারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ব্যাংকিং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আমানতের বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, মুনাফাও উত্তোলন করা যাবে। যে রেজ্যুলেশনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত, তা রাতারাতি করা সম্ভব নয়। শরিয়াহ কাউন্সিলের পরামর্শ অনুযায়ী, বিগত দুই বছরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা দিতে পারা সম্ভব হয়নি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রাহকের দুরঅবস্থা বিবেচনা করে ৪ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে। পাঁচটি ব্যাংকের লোকসানের পরও এই ৪ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হচ্ছে সরকারের অনুদানের মাধ্যমে, যেখানে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে।

তিনি বলেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ক্ষেত্রে শুধু জমা করা নগদ টাকা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী আইন মুনাফার আকারে নয়, অনুদানের আকারে। যা সরকারের বাড়তি খরচ।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ৫ ব্যাংকের এই অবস্থার জন্য দায়ভার সবারই আছে, শুধু সরকার কেনো সব দায় নেবে। সরকার বরং প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সহায়তা দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুল তথ্য ছড়িয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে : আহসান মনসুর

আপডেট সময় ০১:০০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, কিছু লোক টাকার বিনিময়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উসকানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে, গুজব ছড়াচ্ছে, এটি বেশিদিন চলবে না। বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই ব্যাংকের সব লেনদেন খুলে দেওয়া হয়েছে, আমানতে সর্বোচ্চ ৯.৫ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে। একবারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ব্যাংকিং সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আমানতের বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, মুনাফাও উত্তোলন করা যাবে। যে রেজ্যুলেশনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত, তা রাতারাতি করা সম্ভব নয়। শরিয়াহ কাউন্সিলের পরামর্শ অনুযায়ী, বিগত দুই বছরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা দিতে পারা সম্ভব হয়নি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রাহকের দুরঅবস্থা বিবেচনা করে ৪ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে। পাঁচটি ব্যাংকের লোকসানের পরও এই ৪ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হচ্ছে সরকারের অনুদানের মাধ্যমে, যেখানে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে।

তিনি বলেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ক্ষেত্রে শুধু জমা করা নগদ টাকা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী আইন মুনাফার আকারে নয়, অনুদানের আকারে। যা সরকারের বাড়তি খরচ।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ৫ ব্যাংকের এই অবস্থার জন্য দায়ভার সবারই আছে, শুধু সরকার কেনো সব দায় নেবে। সরকার বরং প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সহায়তা দিয়েছে।