ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নাগরিক ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমার বাড়ি বগুড়া। সেখানে আমি আগেও নির্বাচন করেছি। এবারও করছি। অথচ আমাকে বিরোধিতা করবার জন্য যে মবক্রেসি করা হয়েছে, তা খুবই একটা অশুভ ইঙ্গিত। যার কারণে আমি মনে করি, জেলা প্রশাসক নিজে বিচলিত হয়ে সামাল দেবার জন্য মনে করেছেন, একটা খারাপ পরিস্থিতি হওয়ার চাইতে বিষয়টা নির্বাচন কমিশনে যাওয়াই ভালো। না হলে আমার মনোনয়ন বাতিল করবার কোনো কারণ ছিল না।

রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন নাগরিক ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ের উদ্দেশ্য কাউকে বাদ দেওয়া নয়, বরং ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রে ত্রুটি থাকলে তাৎক্ষণিক সংশোধন কিংবা সময় দিয়ে ঠিক করার সুযোগ রয়েছে। এমনকি হলফনামায় ভুল থাকলেও সম্পূরক হলফনামা দেওয়ার বিধান আছে।

মান্না আরও বলেন, রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে আমরা যে অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছি, সেই গণতন্ত্রকে ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা ঘটলে দুঃখ প্রকাশ ছাড়া কিছু থাকে না। ক্ষমতার জন্য এ ধরনের ঘটনা কখনোই গণতন্ত্রের পথ হতে পারে না। দল বা ব্যক্তি যত বড়ই হোক, সমগ্রের কাছে সবাই ছোট। এই মানসিকতা না থাকলে গণতন্ত্র কার্যকর হবে না।

ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মান্না বলেন, আমার বিরুদ্ধে খেলাপি হওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া বড়গোলা শাখার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে একটি ভুয়া নোটিশ তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। পরে ওই ব্যাংক কর্মকর্তা শাস্তিমূলকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ ও ট্রান্সফার হন। তবে এই তথ্য মিডিয়ায় আসেনি।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কোমরের নিচে আঘাত করে কাউকে হারানোর চেষ্টা রাজনীতি নয়। ষড়যন্ত্র করে জেতা যায় না। গণতন্ত্রের লড়াই দীর্ঘস্থায়ী হলে ষড়যন্ত্র টিকে না। আজকের রায় তার প্রমাণ।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, কমিশন অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। প্রতিপক্ষকে বাদ দিয়েই বিজয় অর্জনের মানসিকতা গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আমার শঙ্কা রয়েছে। পুলিশ এখন পর্যন্ত সক্রিয় বা প্রো-অ্যাকটিভ ভূমিকা রাখছে না। অনেক জায়গায় নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিএনপির সমর্থন প্রসঙ্গে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এখনও তাদের দেওয়া প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। আমি আশা করি, যেহেতু আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করাই স্বাভাবিক নিয়ম হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না

আপডেট সময় ০৫:০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

নাগরিক ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমার বাড়ি বগুড়া। সেখানে আমি আগেও নির্বাচন করেছি। এবারও করছি। অথচ আমাকে বিরোধিতা করবার জন্য যে মবক্রেসি করা হয়েছে, তা খুবই একটা অশুভ ইঙ্গিত। যার কারণে আমি মনে করি, জেলা প্রশাসক নিজে বিচলিত হয়ে সামাল দেবার জন্য মনে করেছেন, একটা খারাপ পরিস্থিতি হওয়ার চাইতে বিষয়টা নির্বাচন কমিশনে যাওয়াই ভালো। না হলে আমার মনোনয়ন বাতিল করবার কোনো কারণ ছিল না।

রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন নাগরিক ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ের উদ্দেশ্য কাউকে বাদ দেওয়া নয়, বরং ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রে ত্রুটি থাকলে তাৎক্ষণিক সংশোধন কিংবা সময় দিয়ে ঠিক করার সুযোগ রয়েছে। এমনকি হলফনামায় ভুল থাকলেও সম্পূরক হলফনামা দেওয়ার বিধান আছে।

মান্না আরও বলেন, রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে আমরা যে অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছি, সেই গণতন্ত্রকে ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা ঘটলে দুঃখ প্রকাশ ছাড়া কিছু থাকে না। ক্ষমতার জন্য এ ধরনের ঘটনা কখনোই গণতন্ত্রের পথ হতে পারে না। দল বা ব্যক্তি যত বড়ই হোক, সমগ্রের কাছে সবাই ছোট। এই মানসিকতা না থাকলে গণতন্ত্র কার্যকর হবে না।

ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মান্না বলেন, আমার বিরুদ্ধে খেলাপি হওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া বড়গোলা শাখার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে একটি ভুয়া নোটিশ তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। পরে ওই ব্যাংক কর্মকর্তা শাস্তিমূলকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ ও ট্রান্সফার হন। তবে এই তথ্য মিডিয়ায় আসেনি।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কোমরের নিচে আঘাত করে কাউকে হারানোর চেষ্টা রাজনীতি নয়। ষড়যন্ত্র করে জেতা যায় না। গণতন্ত্রের লড়াই দীর্ঘস্থায়ী হলে ষড়যন্ত্র টিকে না। আজকের রায় তার প্রমাণ।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, কমিশন অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। প্রতিপক্ষকে বাদ দিয়েই বিজয় অর্জনের মানসিকতা গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আমার শঙ্কা রয়েছে। পুলিশ এখন পর্যন্ত সক্রিয় বা প্রো-অ্যাকটিভ ভূমিকা রাখছে না। অনেক জায়গায় নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিএনপির সমর্থন প্রসঙ্গে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এখনও তাদের দেওয়া প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। আমি আশা করি, যেহেতু আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করাই স্বাভাবিক নিয়ম হবে।