ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পোরশায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নওগাঁর পোরশায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে পোরশা থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন পত্মীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া দিঘিপাড়া গ্রামের বাবুল রশিদের ছেলে রবিউল ইসলাম (২০), একই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে হাবিবুর রহমান (১৯) ও মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে জায়েদুল ইসলাম (৩০) ও পোরশা উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়নের ছাতোয়া গ্রামের রেজাবুলের ছেলে মো. শিমুল (৩০)। এদের মধ্যে রবিউল ও হাবিবুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছে।

পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাব্বেরুল ইসলাম জানান, শিমুল নামের এক যুবকের সঙ্গে পোরশার সোমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণি পড়ুয়া ওই স্কুল ছাত্রীর পূর্বপরিচয় ছিল। সোমনগর গ্রামের বাসিন্দা ওই ছাত্রীর বাবা একজন ভ্যানচালক। গত বুধবার সকালে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে শিমুল ওই ছাত্রীকে নিয়ে পত্মীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভায় বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে। পরে শিমুল তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই দিন রাত ১১টার দিকে পত্মীতলা উপজেলার দিঘিপাড়া গ্রামে নিয়ে যায়। রাতে ওই গ্রামের পাশে একটি গভীর নলকূপের ছাদে নিয়ে আরও তিনজনকে ডেকে মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। ভোরে মেয়েটিকে নিয়ে অটোরিকশা যোগে পোরশা উপজেলার শিশা বাজারের দিকে যাচ্ছিল তারা। যাওয়ার পথে রাস্তায় পোরশা থানার টহল পুলিশ রিকশাটিকে থামতে বললে এ সময় আসামি জায়েদুল ও শিমুল পালিয়ে যায়। পরে ওই স্কুল ছাত্রীসহ রবিউল ও হাবিবুর নামে দুই তরুণকে আটক করে পুলিশ। পরের দিন বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রবিউল ও হাবিবুরসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পোরশা থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পোরশা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার দুই তরুণকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার ধর্ষণের শিকার মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

পোরশায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ১২:৪২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নওগাঁর পোরশায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে পোরশা থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন পত্মীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া দিঘিপাড়া গ্রামের বাবুল রশিদের ছেলে রবিউল ইসলাম (২০), একই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে হাবিবুর রহমান (১৯) ও মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে জায়েদুল ইসলাম (৩০) ও পোরশা উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়নের ছাতোয়া গ্রামের রেজাবুলের ছেলে মো. শিমুল (৩০)। এদের মধ্যে রবিউল ও হাবিবুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছে।

পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাব্বেরুল ইসলাম জানান, শিমুল নামের এক যুবকের সঙ্গে পোরশার সোমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণি পড়ুয়া ওই স্কুল ছাত্রীর পূর্বপরিচয় ছিল। সোমনগর গ্রামের বাসিন্দা ওই ছাত্রীর বাবা একজন ভ্যানচালক। গত বুধবার সকালে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে শিমুল ওই ছাত্রীকে নিয়ে পত্মীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভায় বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে। পরে শিমুল তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই দিন রাত ১১টার দিকে পত্মীতলা উপজেলার দিঘিপাড়া গ্রামে নিয়ে যায়। রাতে ওই গ্রামের পাশে একটি গভীর নলকূপের ছাদে নিয়ে আরও তিনজনকে ডেকে মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। ভোরে মেয়েটিকে নিয়ে অটোরিকশা যোগে পোরশা উপজেলার শিশা বাজারের দিকে যাচ্ছিল তারা। যাওয়ার পথে রাস্তায় পোরশা থানার টহল পুলিশ রিকশাটিকে থামতে বললে এ সময় আসামি জায়েদুল ও শিমুল পালিয়ে যায়। পরে ওই স্কুল ছাত্রীসহ রবিউল ও হাবিবুর নামে দুই তরুণকে আটক করে পুলিশ। পরের দিন বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রবিউল ও হাবিবুরসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পোরশা থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পোরশা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার দুই তরুণকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার ধর্ষণের শিকার মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি।