ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

সিরিয়া পুনর্গঠনে ‘স্পষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনার’র কথা জানালেন বিদ্রোহী নেতা জোলানি

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শাম-এর নেতা আহমেদ আল-শারাআ (যিনি জোলানি নামেও পরিচিত) সিরিয়ার ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন নিয়ে তার পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার নেতৃত্বাধীন বাহিনী সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

জোলানি বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট এবং সিরিয়ার পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আমাদের পরিকল্পনাগুলো প্রস্তুত। আমরা এমন পরিকল্পনা তৈরি করেছি, যা বিগত সরকারের সময়কার ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, ইদলিব প্রদেশে আমরা যে উন্নয়ন সাধন করেছি, দামাস্কাস সেই সব ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ইদলিবের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা সিরিয়ার অন্যান্য প্রদেশেও একই ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম চালাব।

সিরিয়ার এই বিদ্রোহী নেতা জানান, তার গোষ্ঠী পশ্চিমা দেশগুলোর বিভিন্ন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তিনি বলেন, আমরা ব্রিটেনের সঙ্গে আলোচনা করছি যাতে তারা দামাস্কাসে তাদের কূটনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করে। আমাদের লক্ষ্য পশ্চিমা সমর্থন নিশ্চিত করা এবং সিরিয়ার পুনর্গঠনকে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করা।

ইরানের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ইরানি সমাজের প্রতি কোনো শত্রুতা নেই। আমরা রাশিয়াকেও আহ্বান জানিয়েছি, তারা যেন সিরিয়ার জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করে।

ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সংঘর্ষে জড়াতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং সিরিয়াকে পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

জোলানির এই বক্তব্য সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে আন্তর্জাতিক মহল এটি কীভাবে গ্রহণ করবে, তা এখন দেখার বিষয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

সিরিয়া পুনর্গঠনে ‘স্পষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনার’র কথা জানালেন বিদ্রোহী নেতা জোলানি

আপডেট সময় ০৮:১৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শাম-এর নেতা আহমেদ আল-শারাআ (যিনি জোলানি নামেও পরিচিত) সিরিয়ার ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন নিয়ে তার পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার নেতৃত্বাধীন বাহিনী সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

জোলানি বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট এবং সিরিয়ার পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আমাদের পরিকল্পনাগুলো প্রস্তুত। আমরা এমন পরিকল্পনা তৈরি করেছি, যা বিগত সরকারের সময়কার ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, ইদলিব প্রদেশে আমরা যে উন্নয়ন সাধন করেছি, দামাস্কাস সেই সব ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ইদলিবের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা সিরিয়ার অন্যান্য প্রদেশেও একই ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম চালাব।

সিরিয়ার এই বিদ্রোহী নেতা জানান, তার গোষ্ঠী পশ্চিমা দেশগুলোর বিভিন্ন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তিনি বলেন, আমরা ব্রিটেনের সঙ্গে আলোচনা করছি যাতে তারা দামাস্কাসে তাদের কূটনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করে। আমাদের লক্ষ্য পশ্চিমা সমর্থন নিশ্চিত করা এবং সিরিয়ার পুনর্গঠনকে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করা।

ইরানের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ইরানি সমাজের প্রতি কোনো শত্রুতা নেই। আমরা রাশিয়াকেও আহ্বান জানিয়েছি, তারা যেন সিরিয়ার জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করে।

ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সংঘর্ষে জড়াতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং সিরিয়াকে পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

জোলানির এই বক্তব্য সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে আন্তর্জাতিক মহল এটি কীভাবে গ্রহণ করবে, তা এখন দেখার বিষয়।