ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া বিনিয়োগকারীদের জন্য অনলাইনভিত্তিক সেবা চালুর উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার’ মালয়েশিয়ার পথে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী, সঙ্গে ৮ মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আমাদের নেতাকর্মীদের দিকে বাঁকা চোখে তাকালে খবর আছে:বিরোধীদলকে এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ২৩ জুনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করার চেষ্টাকারীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে : র‌্যাব দেশকে এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে মহাপরিকল্পনা পূর্বশর্ত: বিমানমন্ত্রী ইউক্রেনে রাশিয়ার বোমা হামলায় নিহত ৫ এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক: রাশেদ খান

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের যুবারা। সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছে গেছেন তারা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে ইকবাল-মারুফদের গতির ঝলকে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। ৩৭ ওভারে সব উইকেট খুইয়ে ১১৬ রানেই সাঙ্গ হয় ‘মেন ইন গ্রিন’র ইনিংস।

ফলে ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৭ রান। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮ রানে দুই উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ফাইনালে টিকিট পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই নাড়িয়ে দিয়েছিলেন পেসার মারুফ মৃধা। দলীয় ২ রানে আউট করেন ওপেনার উসমান খানকে (০) ফেরান তিনি। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরেক ওপেনার শাহজাইব খানকেও শূন্য রানে ফেরান এ পেসার।

অধিনায়ক সাদ বেগ আর মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেট এই দুই ব্যাটারকেই আউট করেন আরেক পেসার ইকবাল হোসেন ইমন।

৭৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। এরপর ফারহান ইউসুফ (৩২) ছাড়া আর কোনো ব্যাটারকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সব উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান করেন। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ২৪ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ২৩ রানে ২ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা।

১১৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে জাওয়াদ আবরার ও কামাল সিদ্দিকী ওপেনিং জুটি সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ২০ রানের মাথায় কামাল সিদ্দিকী শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানেই দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। জাওয়াদ আবরার ২৫ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান।

তবে শিহাব জেমসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন অধিনায়ক তামিম। শিহাব ২৮ রানে নাভিদ খানের বলে ক্যাচ হয়ে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্য সেমিফাইনালে শ্রীলংকাকে ৭ উইকেট হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ভারত। আগামিও ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের যুবারা। সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছে গেছেন তারা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে ইকবাল-মারুফদের গতির ঝলকে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। ৩৭ ওভারে সব উইকেট খুইয়ে ১১৬ রানেই সাঙ্গ হয় ‘মেন ইন গ্রিন’র ইনিংস।

ফলে ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৭ রান। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮ রানে দুই উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ফাইনালে টিকিট পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই নাড়িয়ে দিয়েছিলেন পেসার মারুফ মৃধা। দলীয় ২ রানে আউট করেন ওপেনার উসমান খানকে (০) ফেরান তিনি। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরেক ওপেনার শাহজাইব খানকেও শূন্য রানে ফেরান এ পেসার।

অধিনায়ক সাদ বেগ আর মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেট এই দুই ব্যাটারকেই আউট করেন আরেক পেসার ইকবাল হোসেন ইমন।

৭৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। এরপর ফারহান ইউসুফ (৩২) ছাড়া আর কোনো ব্যাটারকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সব উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান করেন। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ২৪ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ২৩ রানে ২ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা।

১১৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে জাওয়াদ আবরার ও কামাল সিদ্দিকী ওপেনিং জুটি সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ২০ রানের মাথায় কামাল সিদ্দিকী শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানেই দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। জাওয়াদ আবরার ২৫ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান।

তবে শিহাব জেমসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন অধিনায়ক তামিম। শিহাব ২৮ রানে নাভিদ খানের বলে ক্যাচ হয়ে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্য সেমিফাইনালে শ্রীলংকাকে ৭ উইকেট হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ভারত। আগামিও ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ।