ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল টিকা সংকটে হামের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের যুবারা। সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছে গেছেন তারা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে ইকবাল-মারুফদের গতির ঝলকে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। ৩৭ ওভারে সব উইকেট খুইয়ে ১১৬ রানেই সাঙ্গ হয় ‘মেন ইন গ্রিন’র ইনিংস।

ফলে ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৭ রান। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮ রানে দুই উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ফাইনালে টিকিট পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই নাড়িয়ে দিয়েছিলেন পেসার মারুফ মৃধা। দলীয় ২ রানে আউট করেন ওপেনার উসমান খানকে (০) ফেরান তিনি। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরেক ওপেনার শাহজাইব খানকেও শূন্য রানে ফেরান এ পেসার।

অধিনায়ক সাদ বেগ আর মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেট এই দুই ব্যাটারকেই আউট করেন আরেক পেসার ইকবাল হোসেন ইমন।

৭৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। এরপর ফারহান ইউসুফ (৩২) ছাড়া আর কোনো ব্যাটারকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সব উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান করেন। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ২৪ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ২৩ রানে ২ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা।

১১৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে জাওয়াদ আবরার ও কামাল সিদ্দিকী ওপেনিং জুটি সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ২০ রানের মাথায় কামাল সিদ্দিকী শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানেই দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। জাওয়াদ আবরার ২৫ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান।

তবে শিহাব জেমসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন অধিনায়ক তামিম। শিহাব ২৮ রানে নাভিদ খানের বলে ক্যাচ হয়ে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্য সেমিফাইনালে শ্রীলংকাকে ৭ উইকেট হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ভারত। আগামিও ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের যুবারা। সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছে গেছেন তারা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে ইকবাল-মারুফদের গতির ঝলকে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। ৩৭ ওভারে সব উইকেট খুইয়ে ১১৬ রানেই সাঙ্গ হয় ‘মেন ইন গ্রিন’র ইনিংস।

ফলে ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৭ রান। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮ রানে দুই উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ফাইনালে টিকিট পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই নাড়িয়ে দিয়েছিলেন পেসার মারুফ মৃধা। দলীয় ২ রানে আউট করেন ওপেনার উসমান খানকে (০) ফেরান তিনি। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরেক ওপেনার শাহজাইব খানকেও শূন্য রানে ফেরান এ পেসার।

অধিনায়ক সাদ বেগ আর মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেট এই দুই ব্যাটারকেই আউট করেন আরেক পেসার ইকবাল হোসেন ইমন।

৭৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। এরপর ফারহান ইউসুফ (৩২) ছাড়া আর কোনো ব্যাটারকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সব উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান করেন। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ২৪ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ২৩ রানে ২ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা।

১১৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে জাওয়াদ আবরার ও কামাল সিদ্দিকী ওপেনিং জুটি সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ২০ রানের মাথায় কামাল সিদ্দিকী শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানেই দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। জাওয়াদ আবরার ২৫ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান।

তবে শিহাব জেমসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন অধিনায়ক তামিম। শিহাব ২৮ রানে নাভিদ খানের বলে ক্যাচ হয়ে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্য সেমিফাইনালে শ্রীলংকাকে ৭ উইকেট হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ভারত। আগামিও ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ।