ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের যুবারা। সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছে গেছেন তারা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে ইকবাল-মারুফদের গতির ঝলকে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। ৩৭ ওভারে সব উইকেট খুইয়ে ১১৬ রানেই সাঙ্গ হয় ‘মেন ইন গ্রিন’র ইনিংস।

ফলে ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৭ রান। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮ রানে দুই উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ফাইনালে টিকিট পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই নাড়িয়ে দিয়েছিলেন পেসার মারুফ মৃধা। দলীয় ২ রানে আউট করেন ওপেনার উসমান খানকে (০) ফেরান তিনি। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরেক ওপেনার শাহজাইব খানকেও শূন্য রানে ফেরান এ পেসার।

অধিনায়ক সাদ বেগ আর মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেট এই দুই ব্যাটারকেই আউট করেন আরেক পেসার ইকবাল হোসেন ইমন।

৭৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। এরপর ফারহান ইউসুফ (৩২) ছাড়া আর কোনো ব্যাটারকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সব উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান করেন। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ২৪ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ২৩ রানে ২ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা।

১১৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে জাওয়াদ আবরার ও কামাল সিদ্দিকী ওপেনিং জুটি সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ২০ রানের মাথায় কামাল সিদ্দিকী শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানেই দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। জাওয়াদ আবরার ২৫ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান।

তবে শিহাব জেমসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন অধিনায়ক তামিম। শিহাব ২৮ রানে নাভিদ খানের বলে ক্যাচ হয়ে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্য সেমিফাইনালে শ্রীলংকাকে ৭ উইকেট হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ভারত। আগামিও ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশের যুবারা। সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছে গেছেন তারা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে ইকবাল-মারুফদের গতির ঝলকে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। ৩৭ ওভারে সব উইকেট খুইয়ে ১১৬ রানেই সাঙ্গ হয় ‘মেন ইন গ্রিন’র ইনিংস।

ফলে ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১৭ রান। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৮ রানে দুই উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ফাইনালে টিকিট পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই নাড়িয়ে দিয়েছিলেন পেসার মারুফ মৃধা। দলীয় ২ রানে আউট করেন ওপেনার উসমান খানকে (০) ফেরান তিনি। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরেক ওপেনার শাহজাইব খানকেও শূন্য রানে ফেরান এ পেসার।

অধিনায়ক সাদ বেগ আর মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেট এই দুই ব্যাটারকেই আউট করেন আরেক পেসার ইকবাল হোসেন ইমন।

৭৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। এরপর ফারহান ইউসুফ (৩২) ছাড়া আর কোনো ব্যাটারকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সব উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান করেন। টাইগার পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ২৪ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ২৩ রানে ২ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা।

১১৭ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে জাওয়াদ আবরার ও কামাল সিদ্দিকী ওপেনিং জুটি সুবিধা করতে পারেনি। দলীয় ২০ রানের মাথায় কামাল সিদ্দিকী শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানেই দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। জাওয়াদ আবরার ২৫ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান।

তবে শিহাব জেমসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন অধিনায়ক তামিম। শিহাব ২৮ রানে নাভিদ খানের বলে ক্যাচ হয়ে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্য সেমিফাইনালে শ্রীলংকাকে ৭ উইকেট হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ভারত। আগামিও ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ।