ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মুহিদ মিয়া নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বুড্ডা (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের মৃত রিহান উদ্দিনের ছেলে।

ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা প্রবাসে থাকেন। প্রতিদিনের মতো গত বুধবার সকালে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন ছিল প্রচুর বৃষ্টি। বিকাল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়। কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। ওই শিক্ষার্থীও স্যারের কথামতো বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ শুরু করে।

এদিকে বাইরে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া দরজা বন্ধ করে শিশু শিক্ষার্থীর ধর্ষণের জন্য উদ্যত হয়। শিশু শিক্ষার্থী তখন চিৎকার শুরু করে। শিক্ষক মুহিদ মিয়া ছুরি বের করে শিশু শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলার হুমকি দিই।

তখন ভয়ে ওই শিক্ষার্থীর চিৎকার বন্ধ করে। সেই সুযোগে শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে তার নানার কাছে ঘটনা খুলে বলে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপার সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।

সরাইল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। আমরা আসামিকে ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০১:০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মুহিদ মিয়া নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বুড্ডা (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের মৃত রিহান উদ্দিনের ছেলে।

ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা প্রবাসে থাকেন। প্রতিদিনের মতো গত বুধবার সকালে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন ছিল প্রচুর বৃষ্টি। বিকাল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়। কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। ওই শিক্ষার্থীও স্যারের কথামতো বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ শুরু করে।

এদিকে বাইরে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া দরজা বন্ধ করে শিশু শিক্ষার্থীর ধর্ষণের জন্য উদ্যত হয়। শিশু শিক্ষার্থী তখন চিৎকার শুরু করে। শিক্ষক মুহিদ মিয়া ছুরি বের করে শিশু শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলার হুমকি দিই।

তখন ভয়ে ওই শিক্ষার্থীর চিৎকার বন্ধ করে। সেই সুযোগে শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে তার নানার কাছে ঘটনা খুলে বলে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপার সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।

সরাইল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। আমরা আসামিকে ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।