ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহর মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছায়। সেখানে একটি অশ্বারোহী দল তাকে স্বাগত জানিয়ে পথ দেখিয়ে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়। বাংলাদেশের সরকারের সম্মানে জানানো হয় গান স্যালুট।

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার দেয়। এ সময় বাজানো হয় দুই দেশের জাতীয় সংগীত।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেখানে উপস্থিত তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিচয় করিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তার সঙ্গী মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বৈঠক ফলপ্রসূ হবে বলেই তিনি আশা করছেন।

আমাদের মূল লক্ষ্য হল, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে নিয়ে যাওয়া। আমরা সেটা করতে সক্ষম। বন্ধুত্ব দিয়ে যে কোনো সমস্যারই সমাধান করা যায়। আমরা সব সময় সেটাই করি।

অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান শেষে শেখ হাসিনা যান রাজঘাটে। সেখানে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর হায়দ্রাবাদ হাউজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে দুই নেতার নেতৃত্বে হবে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

বাণিজ্য, জ্বালানি, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে সহযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশের অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো আলোচ্যসূচিতে প্রাধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতেই কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচি শেষে মোদীর দেওয়া মধ্যাহ্ন ভোজে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

আপডেট সময় ১১:৪৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহর মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছায়। সেখানে একটি অশ্বারোহী দল তাকে স্বাগত জানিয়ে পথ দেখিয়ে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়। বাংলাদেশের সরকারের সম্মানে জানানো হয় গান স্যালুট।

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার দেয়। এ সময় বাজানো হয় দুই দেশের জাতীয় সংগীত।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেখানে উপস্থিত তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিচয় করিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তার সঙ্গী মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বৈঠক ফলপ্রসূ হবে বলেই তিনি আশা করছেন।

আমাদের মূল লক্ষ্য হল, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে নিয়ে যাওয়া। আমরা সেটা করতে সক্ষম। বন্ধুত্ব দিয়ে যে কোনো সমস্যারই সমাধান করা যায়। আমরা সব সময় সেটাই করি।

অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান শেষে শেখ হাসিনা যান রাজঘাটে। সেখানে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর হায়দ্রাবাদ হাউজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে দুই নেতার নেতৃত্বে হবে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

বাণিজ্য, জ্বালানি, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে সহযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশের অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো আলোচ্যসূচিতে প্রাধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতেই কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচি শেষে মোদীর দেওয়া মধ্যাহ্ন ভোজে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।