ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২১ আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের

রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্যুহার বাড়তে পারে ৬০ শতাংশ!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিশ্বজুড়েই বাড়ছে তাপমাত্রা। এর কারণ জলবায়ু পরিবর্তন।

দাবদাহে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ইউরোপ থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষ, অনেক দেশে গেল কয়েক দশকের মধ্যে এবার রেকর্ড ভেঙেছে তাপমাত্রা। এরমধ্যেই এক আঁতকে ওঠার খবর দিয়েছেন একদল গবেষক। তাদের দাবি রাতের অতিরিক্ত তাপমাত্রার ফলে এ শতাব্দির শেষ নাগাদ মৃত্যুহার বাড়তে পারে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত।

গবেষকদের দাবি, তাপমাত্রার এ উলম্ফন মানুষের ঘুমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যার ফলে হৃদরোগ, মানসিক অস্থিরতা-অশান্তিসহ নানা ধরনের রোগ বাড়তে পারে। আর এ রোগবৃদ্ধি মানুষকে আরও বেশি ঠেলে দেবে মৃত্যুর দিকে।

২০৯০ সালের মধ্যে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের ২৮টি শহরে রাতের তাপমাত্রা গড়ে ৬৮.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট থেকে দ্বিগুণ হয়ে ১০৩.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে গবেষণায়।

চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গবেষণার অন্যতম লেখক ড. হাইডং কান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে যেসব স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, মানুষকে এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে; আর আমাদের উচিত মানিয়ে নিতে বা এ অভিযোজন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এমন কার্যকর উপায় তৈরি করা।

এক্ষেত্রে ড. কান মনে করেন, ভবিষ্যতে দাবদাহের সতর্ক ব্যবস্থা তৈরির সময় রাতেরবেলার উত্তাপের বিষয়টি অবশ্যই বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষ করে, নিম্ন আয়ের মানুষদের কথা বিবেচনায় রাখতে হবে, যাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের অতিরিক্ত ব্যয় বহনের সক্ষমতা নেই।

এ গবেষকরা মনে করেন, রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি কেউ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে না। তবে, গবেষকরা এশিয়া অঞ্চলের বাকি অংশ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এ গবেষণার ফলাফল আপাতত প্রয়োগ না করার পক্ষে মত দিয়েছেন। কারণ তারা এখনও এ সংক্রান্ত বিশ্বব্যাপী তথ্য বিশ্লেষণ করেননি।

চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্যুহার বাড়তে পারে ৬০ শতাংশ!

আপডেট সময় ১০:০২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিশ্বজুড়েই বাড়ছে তাপমাত্রা। এর কারণ জলবায়ু পরিবর্তন।

দাবদাহে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ইউরোপ থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষ, অনেক দেশে গেল কয়েক দশকের মধ্যে এবার রেকর্ড ভেঙেছে তাপমাত্রা। এরমধ্যেই এক আঁতকে ওঠার খবর দিয়েছেন একদল গবেষক। তাদের দাবি রাতের অতিরিক্ত তাপমাত্রার ফলে এ শতাব্দির শেষ নাগাদ মৃত্যুহার বাড়তে পারে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত।

গবেষকদের দাবি, তাপমাত্রার এ উলম্ফন মানুষের ঘুমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যার ফলে হৃদরোগ, মানসিক অস্থিরতা-অশান্তিসহ নানা ধরনের রোগ বাড়তে পারে। আর এ রোগবৃদ্ধি মানুষকে আরও বেশি ঠেলে দেবে মৃত্যুর দিকে।

২০৯০ সালের মধ্যে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের ২৮টি শহরে রাতের তাপমাত্রা গড়ে ৬৮.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট থেকে দ্বিগুণ হয়ে ১০৩.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে গবেষণায়।

চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গবেষণার অন্যতম লেখক ড. হাইডং কান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে যেসব স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, মানুষকে এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে; আর আমাদের উচিত মানিয়ে নিতে বা এ অভিযোজন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এমন কার্যকর উপায় তৈরি করা।

এক্ষেত্রে ড. কান মনে করেন, ভবিষ্যতে দাবদাহের সতর্ক ব্যবস্থা তৈরির সময় রাতেরবেলার উত্তাপের বিষয়টি অবশ্যই বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষ করে, নিম্ন আয়ের মানুষদের কথা বিবেচনায় রাখতে হবে, যাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের অতিরিক্ত ব্যয় বহনের সক্ষমতা নেই।

এ গবেষকরা মনে করেন, রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি কেউ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে না। তবে, গবেষকরা এশিয়া অঞ্চলের বাকি অংশ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এ গবেষণার ফলাফল আপাতত প্রয়োগ না করার পক্ষে মত দিয়েছেন। কারণ তারা এখনও এ সংক্রান্ত বিশ্বব্যাপী তথ্য বিশ্লেষণ করেননি।

চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন।