ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

ভোলায় গুলির নির্দেশদাতা পুলিশ সুপার ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন: রিজভী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভোলায় বিএনপির সমাবেশে গুলির নির্দেশদাতা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন বলে দাবি করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, প্রমোশন ও পুরস্কারের লিপ্সায় এসপি সাইফুল বিএনপির মিছিলে নারকীয় তাণ্ডবের নির্দেশ দেন।

শুক্রবার (৫আগস্ট) বিকেলে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকতে গত এক যুগ ধরে র‌্যাব, পুলিশসহ আইন শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী, সিভিল প্রশাসন, আইন আদালত সবকিছু সম্পূর্ণ ছাত্রলীগের প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী ক্যাডারদের দিয়ে সাজিয়েছেন। তারাই শেখ হাসিনার শিখণ্ডী।

বিএনপির এ নেতা বলেন, বিরোধীদল দমন করতে ছাত্রলীগ নেতাদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে মাঠে নামানো হয়েছে।

এসপি সাইফুলের নির্দেশ সম্পর্কে রিজভী বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশ কার্যকর করেছেন ভোলা সদর মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন ও পরিদর্শক (তদন্ত) আকরাম হোসেন। ইন্সপেক্টর আকরাম হোসেনকে সরাসরি গুলি করতে দেখা গেছে। তার বাড়ী ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগরের কালঘড়ায়। তার বাবা আব্দুল মতিন কিসলু ছিলেন আওয়ামী লীগার।

আওয়ামী লীগের কিলার ইন্সপেক্টর আকরাম হোসেন ও ওসি এনায়েত হোসেন জনগণের নিরাপত্তা দানের বদলে দলের কেন্দ্রীয় ও নেতাদের আদেশ নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যস্ত থাকেন।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, গত ৩১ জুলাই জেলায় জেলায় বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশের অংশ হিসেবে ভোলায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আওয়ামী পুলিশ বেপরোয়াভাবে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিমকে। হত্যা করেছে ভোলা জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলমকে। আরও ১৯ জন ঢাকায় ও বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই হত্যাকাণ্ড পূর্ব পরিকল্পিত। সরকার তার পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালিয়ে আবারও প্রমাণ করলো- বল প্রয়োগ করে জবরদস্তি করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়।

আমরা আব্দুর রহিম ও নুরে আলমের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। জনগণের অভ্যুত্থানে এই সরকারের পতন ঘটবে। তারপর জনগণের সরকার কড়ায় গণ্ডায় বিচার করবে। সকল হত্যাকাণ্ডেরই বিচার হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ভোলায় গুলির নির্দেশদাতা পুলিশ সুপার ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন: রিজভী

আপডেট সময় ০৬:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভোলায় বিএনপির সমাবেশে গুলির নির্দেশদাতা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন বলে দাবি করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, প্রমোশন ও পুরস্কারের লিপ্সায় এসপি সাইফুল বিএনপির মিছিলে নারকীয় তাণ্ডবের নির্দেশ দেন।

শুক্রবার (৫আগস্ট) বিকেলে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকতে গত এক যুগ ধরে র‌্যাব, পুলিশসহ আইন শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী, সিভিল প্রশাসন, আইন আদালত সবকিছু সম্পূর্ণ ছাত্রলীগের প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী ক্যাডারদের দিয়ে সাজিয়েছেন। তারাই শেখ হাসিনার শিখণ্ডী।

বিএনপির এ নেতা বলেন, বিরোধীদল দমন করতে ছাত্রলীগ নেতাদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে মাঠে নামানো হয়েছে।

এসপি সাইফুলের নির্দেশ সম্পর্কে রিজভী বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশ কার্যকর করেছেন ভোলা সদর মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন ও পরিদর্শক (তদন্ত) আকরাম হোসেন। ইন্সপেক্টর আকরাম হোসেনকে সরাসরি গুলি করতে দেখা গেছে। তার বাড়ী ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগরের কালঘড়ায়। তার বাবা আব্দুল মতিন কিসলু ছিলেন আওয়ামী লীগার।

আওয়ামী লীগের কিলার ইন্সপেক্টর আকরাম হোসেন ও ওসি এনায়েত হোসেন জনগণের নিরাপত্তা দানের বদলে দলের কেন্দ্রীয় ও নেতাদের আদেশ নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যস্ত থাকেন।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, গত ৩১ জুলাই জেলায় জেলায় বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশের অংশ হিসেবে ভোলায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আওয়ামী পুলিশ বেপরোয়াভাবে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিমকে। হত্যা করেছে ভোলা জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলমকে। আরও ১৯ জন ঢাকায় ও বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই হত্যাকাণ্ড পূর্ব পরিকল্পিত। সরকার তার পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালিয়ে আবারও প্রমাণ করলো- বল প্রয়োগ করে জবরদস্তি করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়।

আমরা আব্দুর রহিম ও নুরে আলমের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। জনগণের অভ্যুত্থানে এই সরকারের পতন ঘটবে। তারপর জনগণের সরকার কড়ায় গণ্ডায় বিচার করবে। সকল হত্যাকাণ্ডেরই বিচার হবে।