আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
পারিবারিক কলহের কারণেই স্ত্রী খাদিজা বেগম ওরফে স্মৃতি গলাটিপে হত্যা করে তার স্বামী জাহিদুল ইসলাম। এমন অভিযোগে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয় (র্যাব)। সংস্থাটির ভাষ্য, স্ত্রীকে অনেক সন্দেহ করতেন জাহিদুল ইসলাম। এই কারণে তাদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। পরে তাকে গলাটিপে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
র্যাব জানায়, চাঞ্চল্যকর গৃহবধু খাদিজা বেগম ওরফে স্মৃতি হত্যার অভিযোগে নিহতের স্বামী মো. জাহিদুল ইসলামকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১। বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নোমান আহমেদ ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
চলতি বছরের গত ২৮ জুন বিকাল ৫টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর থানার বারতোপা গ্রামের খাদিজা বেগম ওরফে স্মৃতির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ । ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে এই স্মৃতির মৃত্যু রহস্য উম্মোচনের জন্য র্যাব-১ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বৃহস্পতিবার শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে র্যাবের একটি দল রাজধানীর ধানমন্ডি থানার গ্রীনরোড, কাঠালবাগান এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে নিহতের স্বামী মো. জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার জাহিদুলের বরাত দিয়ে র্যাব বলছে, জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে খাদিজা ওরফে স্মৃতির এক বছরের প্রেম ছিল। গত ঈদুল ফিতরের আগের দিন তারা পারিবারিক ভাবে বিয়ে করে। বিয়ের পর প্রথমে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্য সম্পর্ক থাকলেও কিছুদিন পর তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। জাহিদুল ইসলামের ভাষ্যমতে, তিনি তার স্ত্রী খাদিজা বেগম ওরফে স্মৃতি বিভিন্ন জনের সাথে অবৈধ অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত রয়েছে বলে সন্দেহ করতো। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় ঝগড়া বিবাদ হয়। গত ২৮ জুন রাত ১০ টার দিকে তাদের মধ্যে ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে জাহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী স্মৃতির গলা চেপে ধরে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
র্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নোমান আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তার জাহিদুল ইসলামকে শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার জাহিদুল ইসলাম গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার সবুর উদ্দিনের ছেলে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















