ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রেকর্ড বাড়ল ডলারের দাম, খোলাবাজারে ১১২ টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এক দিনের ব্যবধানে খোলাবাজারে প্রতি ডলার আট টাকা বেড়ে ১১২ টাকায় উঠেছে। তবে এই চড়া দামেও মিলছে না পর্যাপ্ত ডলার। এর আগে কখনো এত দামে ওঠেনি ডলার।

এর আগে খোলাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দর ১০৫ টাকায় উঠেছিল রবিবার। সেখান থেকে সোমবার আবার এক টাকা কমে ১০৪ টাকায় বিক্রি হয়।

খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকের আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্সেও ডলারের দর অনেক বেড়েছে।

বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত একবছরে আন্তঃব্যাংক দর ৯ টাকা ৯০ পয়সা বাড়িয়েছে। সবশেষ এক ডলার সমান ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে খোলাবাজারে নির্ধারিত দর মানা হয় না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, খোলাবাজার থেকে যে কেউ ডলার কিনতে পারেন। ব্যাংক থেকে কিনতে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট করতে হয়। যে কারণে অনেকে এখন খোলাবাজার থেকে ডলার কিনে শেয়ারবাজারের মতো বিনিয়োগ করছেন, যা অবৈধ।

দেশে জ্বালানি তেল ও ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে সার্বিকভাবে আমদানি খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের ওপর চাপ পড়েছে। আবার রপ্তানি বাড়লেও তা আমদানির মতো নয়। প্রবাসী আয়ও বাড়েনি, বরং তা কমেছে। ফলে দেশে ডলারের সংকট তৈরি হয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাটির দাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রেকর্ড বাড়ল ডলারের দাম, খোলাবাজারে ১১২ টাকা

আপডেট সময় ০৫:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এক দিনের ব্যবধানে খোলাবাজারে প্রতি ডলার আট টাকা বেড়ে ১১২ টাকায় উঠেছে। তবে এই চড়া দামেও মিলছে না পর্যাপ্ত ডলার। এর আগে কখনো এত দামে ওঠেনি ডলার।

এর আগে খোলাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দর ১০৫ টাকায় উঠেছিল রবিবার। সেখান থেকে সোমবার আবার এক টাকা কমে ১০৪ টাকায় বিক্রি হয়।

খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকের আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্সেও ডলারের দর অনেক বেড়েছে।

বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত একবছরে আন্তঃব্যাংক দর ৯ টাকা ৯০ পয়সা বাড়িয়েছে। সবশেষ এক ডলার সমান ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে খোলাবাজারে নির্ধারিত দর মানা হয় না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, খোলাবাজার থেকে যে কেউ ডলার কিনতে পারেন। ব্যাংক থেকে কিনতে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট করতে হয়। যে কারণে অনেকে এখন খোলাবাজার থেকে ডলার কিনে শেয়ারবাজারের মতো বিনিয়োগ করছেন, যা অবৈধ।

দেশে জ্বালানি তেল ও ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে সার্বিকভাবে আমদানি খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের ওপর চাপ পড়েছে। আবার রপ্তানি বাড়লেও তা আমদানির মতো নয়। প্রবাসী আয়ও বাড়েনি, বরং তা কমেছে। ফলে দেশে ডলারের সংকট তৈরি হয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাটির দাম।