ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

মাংস বেশি খাওয়া নিয়ে ডিভোর্স, পালিয়ে বিয়ে করলেন বর-কনে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গায় মাংস বেশি খাওয়াকে কেন্দ্র করে বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে বিয়ে ডিভোর্সের ঘটনা ঘটে। কিন্তু বিচ্ছেদের ২৪ ঘণ্টার মাথায় আবারো লুকিয়ে বিয়ে করেছেন ওই দম্পতি।

ঘটনাটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দশমী গ্রামে। ছেলের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সোনারদাড়ি গ্রামে সোমবার রাতে লুকিয়ে বিয়ে করেন তারা। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন ওই দম্পতি।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বর সবুজ আলী। তিনি বলেন, রোববার বিয়েবাড়িতে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে বর ও কনেপক্ষ। একপর্যায়ে বরপক্ষের তিনজনকে মারধর করা হয়। পরে উভয়পক্ষ বসে বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় বিয়ে বিচ্ছেদ হয়।

তিনি বলেন, রাতে কনে সুমি আক্তার আমাকে ফোন দেয়। একপর্যায়ে আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পারি। সোমবার সকালে সুমি চুয়াডাঙ্গা থেকে ঝিনাইদহ চলে আসে এবং আমরা রাতে বিয়ে করি।

তিনি আরও বলেন, আসলে ২ বছর আগে আমাদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে হয়। তারপর থেকে সুমির সঙ্গে আমার সম্পর্কটা আরও গভীর হয়। উভয় পরিবারের ভুল বোঝাবুঝির কারণে তো আমরা পৃথক হতে পারি না। এসব ভেবেই আমরা পুনরায় বিয়ে করেছি।

কনের বাবা নজরুল ইসলাম জানান, আসলে বিয়ের দিন বরপক্ষ খুব খারাপ আচরণ করে আমাদের সঙ্গে। বিয়েতে দেওয়া গায়েহলুদের উপহার তারা ফেরত নিয়ে যায়। এছাড়া খাবার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বরপক্ষের লোকজন। একপর্যায়ে আমাদের সঙ্গে তাদের গণ্ডগোল হলে বিয়ে বিচ্ছেদেরে ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর রাতেই উভয়পক্ষ বসে কোনো সমাধান না হওয়ায় বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। কিন্তু পরে আমার মেয়ে আবারো সবুজের কাছে চলে যায়।

এ বিষয়ে বর সবুজ আলীর ছোট মামা ফারুক হোসেন জানান, গায়েহলুদের উপহার ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে মূলত বাগবিতণ্ডা হয় কনেপক্ষের সঙ্গে। পরে তারা আমাদের মারধর করে। ঘটনার রাতেই বিয়ে বিচ্ছেদ হয়।

তিনি আরও জানান, সবুজ বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর ৫ বছর আগে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে সৌদি আরবে যায় সবুজ। সেখানে থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে সে সুমির সঙ্গে সম্পর্ক করে।

রোববার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার সময় মাংস বেশি খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আহত হন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের আলমগীর আলীর ছেলে শাহ জামাল (২৮), একই এলাকার মৃত গোলাম রাব্বানীর ছেলে ফারুক হোসেন (৩৫) ও আবদুর রহিমের ছেলে আসমান আলী (৩৫)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

মাংস বেশি খাওয়া নিয়ে ডিভোর্স, পালিয়ে বিয়ে করলেন বর-কনে

আপডেট সময় ০৭:২০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গায় মাংস বেশি খাওয়াকে কেন্দ্র করে বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে বিয়ে ডিভোর্সের ঘটনা ঘটে। কিন্তু বিচ্ছেদের ২৪ ঘণ্টার মাথায় আবারো লুকিয়ে বিয়ে করেছেন ওই দম্পতি।

ঘটনাটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দশমী গ্রামে। ছেলের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সোনারদাড়ি গ্রামে সোমবার রাতে লুকিয়ে বিয়ে করেন তারা। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন ওই দম্পতি।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বর সবুজ আলী। তিনি বলেন, রোববার বিয়েবাড়িতে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে বর ও কনেপক্ষ। একপর্যায়ে বরপক্ষের তিনজনকে মারধর করা হয়। পরে উভয়পক্ষ বসে বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় বিয়ে বিচ্ছেদ হয়।

তিনি বলেন, রাতে কনে সুমি আক্তার আমাকে ফোন দেয়। একপর্যায়ে আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পারি। সোমবার সকালে সুমি চুয়াডাঙ্গা থেকে ঝিনাইদহ চলে আসে এবং আমরা রাতে বিয়ে করি।

তিনি আরও বলেন, আসলে ২ বছর আগে আমাদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে হয়। তারপর থেকে সুমির সঙ্গে আমার সম্পর্কটা আরও গভীর হয়। উভয় পরিবারের ভুল বোঝাবুঝির কারণে তো আমরা পৃথক হতে পারি না। এসব ভেবেই আমরা পুনরায় বিয়ে করেছি।

কনের বাবা নজরুল ইসলাম জানান, আসলে বিয়ের দিন বরপক্ষ খুব খারাপ আচরণ করে আমাদের সঙ্গে। বিয়েতে দেওয়া গায়েহলুদের উপহার তারা ফেরত নিয়ে যায়। এছাড়া খাবার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বরপক্ষের লোকজন। একপর্যায়ে আমাদের সঙ্গে তাদের গণ্ডগোল হলে বিয়ে বিচ্ছেদেরে ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর রাতেই উভয়পক্ষ বসে কোনো সমাধান না হওয়ায় বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। কিন্তু পরে আমার মেয়ে আবারো সবুজের কাছে চলে যায়।

এ বিষয়ে বর সবুজ আলীর ছোট মামা ফারুক হোসেন জানান, গায়েহলুদের উপহার ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে মূলত বাগবিতণ্ডা হয় কনেপক্ষের সঙ্গে। পরে তারা আমাদের মারধর করে। ঘটনার রাতেই বিয়ে বিচ্ছেদ হয়।

তিনি আরও জানান, সবুজ বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর ৫ বছর আগে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে সৌদি আরবে যায় সবুজ। সেখানে থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে সে সুমির সঙ্গে সম্পর্ক করে।

রোববার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার সময় মাংস বেশি খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। এ ঘটনায় আহত হন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের আলমগীর আলীর ছেলে শাহ জামাল (২৮), একই এলাকার মৃত গোলাম রাব্বানীর ছেলে ফারুক হোসেন (৩৫) ও আবদুর রহিমের ছেলে আসমান আলী (৩৫)।