ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে ১১২ এনজিও’র সঙ্গে চুক্তি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম নিরসনে নির্বাচিত ১১২টি এনজিও’র সঙ্গে শ্রম মন্ত্রণালয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম নিরসন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে।

রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর সামনে এনজিওর পক্ষ থেকে বিয়ানমনি সোসাইটি এর চেয়ারম্যান বেগম নাজনীন ইসলাম চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। পরে এনজিওগুলোর পক্ষে নিজ নিজ প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম নিরসনে এনজিওগুলোর নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। সবার সহযোগিতায় আমরা ২০৩০ সালের আগেই শিশুশ্রম মুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারবো। আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত করতে চাই। আপনি কর্মকে ফাঁকি দিলে কর্ম আপনাকে ফাঁকি দেবে। তাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক প্রধান করে মনিটরিং কমিটি করে নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হবে।

জানা গেছে, ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে। তাদের উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের এ সময়ে শিশুর বাবা-মাকে মাসিক সম্মানী দেওয়া হবে এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী শিশুদের স্বাবলম্বী করতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহীর সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্হান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সেলিনা আকতার ও প্রকল্প পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন এবং এনজিও প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে দুজন প্রতিনিধি বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নেতানিয়াহুর ব্যর্থতা তদন্তের দাবিতে তেল আবিবে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে ১১২ এনজিও’র সঙ্গে চুক্তি

আপডেট সময় ০১:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম নিরসনে নির্বাচিত ১১২টি এনজিও’র সঙ্গে শ্রম মন্ত্রণালয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম নিরসন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে।

রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর সামনে এনজিওর পক্ষ থেকে বিয়ানমনি সোসাইটি এর চেয়ারম্যান বেগম নাজনীন ইসলাম চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। পরে এনজিওগুলোর পক্ষে নিজ নিজ প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম নিরসনে এনজিওগুলোর নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। সবার সহযোগিতায় আমরা ২০৩০ সালের আগেই শিশুশ্রম মুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারবো। আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম মুক্ত করতে চাই। আপনি কর্মকে ফাঁকি দিলে কর্ম আপনাকে ফাঁকি দেবে। তাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক প্রধান করে মনিটরিং কমিটি করে নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হবে।

জানা গেছে, ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে। তাদের উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের এ সময়ে শিশুর বাবা-মাকে মাসিক সম্মানী দেওয়া হবে এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী শিশুদের স্বাবলম্বী করতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহীর সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্হান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সেলিনা আকতার ও প্রকল্প পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন এবং এনজিও প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে দুজন প্রতিনিধি বক্তব্য দেন।