ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

পুঁজিবাজারের তারল্য কাটাতে ১৩০০ কোটির তহবিল আসছে, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট দূর করতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এজন্য প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার তহবিল আসছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সাড়ে তিনটায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিকিউরিটিজ কমিশন ভবনে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এ বৈঠকে বসে বিএসইসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।

আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ রেজাউল করিম, বিএমবিএ সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান,ডিবিএ সভাপতি শরীফ আনোয়ারসহ শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের প্রতিনিধিরা।

জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োকারীদের জন্য গঠিত ৯০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের মেয়াদ ২০২২ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই ফান্ডের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে এই ফান্ডে ১৩৬ কোটি টাকার মতো জমা আছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর আগের নিয়মে এখান থেকে ঋণ নিতে পারবে।

অন্যদিকে ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে এখন পর্যন্ত চারশত কোটি টাকার মতো জমা পড়েছে। এই টাকা কীভাবে বাজারের উন্নয়নে দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে কমিশন কাজ করছে বলে জানা গেছে।

তহবিল বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, তারল্য সংকট দূর করার জন্য কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারমধ্যে বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি বন্ড ইস্যু করতে চায়, তাহলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কিভাবে কাজে লাগানো যায়, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োকারীদের জন্য গঠিত ৯০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের ফান্ডের মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ানো হয়েছে। ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকাররা এখান থেকে ঋণ নিতে পারবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ রশিদ লালী বলেন, অনেকদিন আগেই বলা হয়েছিল। এখানো আসেনি। গতকাল হয়তো আবারও বলা হলো। কিন্তু আমি যতটুকু জানি, ৮৫০ কোটি টাকার একটা রিভলভিং ফান্ড সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদনের কথা আছে। সেটা কাজ চলছে। আশা করা যায় সরকার খুব শিগগির অনুমোদন দিয়ে দিবে। এই তহবিলটির কাজ হবে যখন বাজার খারাপ হবে তখন সেখান থেকে টাকা নিবে। আবার বাজার ভালো হলে টাকা ফেরত দিবে। এ ধরনের তহবিল আসলে বাজারের সক্ষমতা আরও বাড়বে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

পুঁজিবাজারের তারল্য কাটাতে ১৩০০ কোটির তহবিল আসছে, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

আপডেট সময় ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট দূর করতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এজন্য প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার তহবিল আসছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সাড়ে তিনটায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিকিউরিটিজ কমিশন ভবনে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এ বৈঠকে বসে বিএসইসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।

আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ রেজাউল করিম, বিএমবিএ সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান,ডিবিএ সভাপতি শরীফ আনোয়ারসহ শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের প্রতিনিধিরা।

জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োকারীদের জন্য গঠিত ৯০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের মেয়াদ ২০২২ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই ফান্ডের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে এই ফান্ডে ১৩৬ কোটি টাকার মতো জমা আছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর আগের নিয়মে এখান থেকে ঋণ নিতে পারবে।

অন্যদিকে ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে এখন পর্যন্ত চারশত কোটি টাকার মতো জমা পড়েছে। এই টাকা কীভাবে বাজারের উন্নয়নে দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে কমিশন কাজ করছে বলে জানা গেছে।

তহবিল বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, তারল্য সংকট দূর করার জন্য কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারমধ্যে বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি বন্ড ইস্যু করতে চায়, তাহলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কিভাবে কাজে লাগানো যায়, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োকারীদের জন্য গঠিত ৯০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের ফান্ডের মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ানো হয়েছে। ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকাররা এখান থেকে ঋণ নিতে পারবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ রশিদ লালী বলেন, অনেকদিন আগেই বলা হয়েছিল। এখানো আসেনি। গতকাল হয়তো আবারও বলা হলো। কিন্তু আমি যতটুকু জানি, ৮৫০ কোটি টাকার একটা রিভলভিং ফান্ড সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদনের কথা আছে। সেটা কাজ চলছে। আশা করা যায় সরকার খুব শিগগির অনুমোদন দিয়ে দিবে। এই তহবিলটির কাজ হবে যখন বাজার খারাপ হবে তখন সেখান থেকে টাকা নিবে। আবার বাজার ভালো হলে টাকা ফেরত দিবে। এ ধরনের তহবিল আসলে বাজারের সক্ষমতা আরও বাড়বে।’