ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে ভাষায় কথা বলেন, তা রাজনৈতিক সংস্কৃতি নয়: প্রতিমন্ত্রী পরীক্ষা দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিলেন জাইমা রহমান ‘এক দফা’ ঘোষণার নেপথ্য ঘটনা তুলে ধরে বিস্ফোরক পোস্ট আব্দুল কাদেরের হাসিনা দেশে আসলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, জানালেন নাহিদ গুমে শাস্তি যাবজ্জীবন, মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন গুজব প্রতিরোধে এফবিআইয়ের সহযোগিতা চাইলেন আইজিপি ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ: ইসি সচিব

ব্যাংকের চলতি হিসাবের লিয়েন তুলে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্যাংকগুলোর জন্য টিটি (টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার) ডিসকাউন্টিং সুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত চলতি হিসাবের অর্থ লিয়েন (অবরুদ্ধ) রাখার দীর্ঘদিনের ব্যবস্থা বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে এ সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ ও ১৯৯৯ সালের বিভিন্ন নির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সিকিউরিটি বন্ধক রেখে টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা দেওয়া হতো। কোনো ব্যাংকের প্রয়োজনীয় সিকিউরিটি না থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত চলতি হিসাবের অর্থে লিয়েন রেখে এ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ ছিল।

পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের জন্য অনুমোদিত টিটি ডিসকাউন্টিং সীমার ২০ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত চলতি হিসাবে লিয়েন রাখতে হতো। এ অর্থ ব্যাংকের বিধিবদ্ধ নগদ জমা (সিআরআর) হিসাবের অংশ হিসেবে গণ্য হতো না।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর দৈনন্দিন তারল্য ব্যবস্থাপনার জন্য কল মানি মার্কেট, রেপো, স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) এবং আন্তঃব্যাংক ঋণসহ বিভিন্ন বিকল্প উৎস সহজলভ্য রয়েছে। ফলে চলতি হিসাবে লিয়েন রেখে টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা চালু রাখার প্রয়োজনীয়তা আর নেই।

এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে এ সুবিধা ব্যবহারকারী ব্যাংকের সংখ্যাও খুবই কম। অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংকগুলো টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা ব্যবহার না করলেও অনুমোদিত সীমার ২০ শতাংশ অর্থ লিয়েন অবস্থায় থাকত। ফলে ওই অর্থ সিআরআর হিসাবে গণনা না হওয়ায় ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক অনুপাত বজায় রাখতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছিল।

এসব বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি হিসাবে লিয়েন রেখে টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির

ব্যাংকের চলতি হিসাবের লিয়েন তুলে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট সময় ০৮:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্যাংকগুলোর জন্য টিটি (টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার) ডিসকাউন্টিং সুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত চলতি হিসাবের অর্থ লিয়েন (অবরুদ্ধ) রাখার দীর্ঘদিনের ব্যবস্থা বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে এ সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ ও ১৯৯৯ সালের বিভিন্ন নির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সিকিউরিটি বন্ধক রেখে টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা দেওয়া হতো। কোনো ব্যাংকের প্রয়োজনীয় সিকিউরিটি না থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত চলতি হিসাবের অর্থে লিয়েন রেখে এ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ ছিল।

পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের জন্য অনুমোদিত টিটি ডিসকাউন্টিং সীমার ২০ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত চলতি হিসাবে লিয়েন রাখতে হতো। এ অর্থ ব্যাংকের বিধিবদ্ধ নগদ জমা (সিআরআর) হিসাবের অংশ হিসেবে গণ্য হতো না।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর দৈনন্দিন তারল্য ব্যবস্থাপনার জন্য কল মানি মার্কেট, রেপো, স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) এবং আন্তঃব্যাংক ঋণসহ বিভিন্ন বিকল্প উৎস সহজলভ্য রয়েছে। ফলে চলতি হিসাবে লিয়েন রেখে টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা চালু রাখার প্রয়োজনীয়তা আর নেই।

এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে এ সুবিধা ব্যবহারকারী ব্যাংকের সংখ্যাও খুবই কম। অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংকগুলো টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা ব্যবহার না করলেও অনুমোদিত সীমার ২০ শতাংশ অর্থ লিয়েন অবস্থায় থাকত। ফলে ওই অর্থ সিআরআর হিসাবে গণনা না হওয়ায় ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক অনুপাত বজায় রাখতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছিল।

এসব বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি হিসাবে লিয়েন রেখে টিটি ডিসকাউন্টিং সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।