ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

আপু না বলে মা বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকে ইউএনও!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আপা বলে সম্বোধন করায় রাগান্বিত হয়ে তিনি মা ডাকতে বলেছেন এক সেবা গ্রহীতাকে।

ওই সেবাগ্রহীতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের এমন আচরণে বিরক্ত হয়ে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তুলে ধরেন।

গত সোমবার (৪ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) তার স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়।

সেবাগ্রহীতার নাম জামাল উদ্দিন (৪৬)। তিনি বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজারের একজন ব্যবসায়ী এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

জামাল উদ্দিনের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- ‘সরকারি কর্মকর্তাকে সাধারণ জনগণের স্যার বলতে হবে, এটা কি বাধ্যতামূলক? এই বিষয়ে সরকারের কোনো আইন আছে কি?

ফ্যাক্ট: বুড়িচং উপজেলার uno(মহিলা) কে আপা বলার কারণে খুব রাগান্বিত হয়েছেন, এটা নাকি office address না, আপা না বলে মা ডাকতাম। আমি লজ্জিত। দেশটা কি মগের মুল্লুক?’

এ বিষয়ে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সোমবার দুপুরে জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত একটি কাজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যাই। এ সময় সমস্যা তুলে ধরে সমাধান চাওয়ার সময় ইউএনওকে আপা বলে সম্বোধন করি। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। তখন তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, স্যার ডাকতে না পারলে মা ডাকবেন। এ ঘটনায় আমি বিব্রত হই। এ সময় সরকারি দফতরের কয়েকজন কর্মকর্তা ও রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা জানতে বুড়িচং উপজেলার ১ নম্বর রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওইদিনের ঘটনা সত্য। স্যার না বলায় ইউএনও মহোদয় ক্ষেপে যান।

বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনি অফিসে এসেই আমাকে আপু বলে ডাকেন। উনি বয়স্ক মানুষ হওয়াতে আমি বিব্রত হই। তাই ইতিবাচক চিন্তা থেকেই ওনাকে আপু না বলে মা সম্বোধন করতে বলি। একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

আপু না বলে মা বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকে ইউএনও!

আপডেট সময় ০৯:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আপা বলে সম্বোধন করায় রাগান্বিত হয়ে তিনি মা ডাকতে বলেছেন এক সেবা গ্রহীতাকে।

ওই সেবাগ্রহীতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের এমন আচরণে বিরক্ত হয়ে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তুলে ধরেন।

গত সোমবার (৪ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) তার স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়।

সেবাগ্রহীতার নাম জামাল উদ্দিন (৪৬)। তিনি বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজারের একজন ব্যবসায়ী এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

জামাল উদ্দিনের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- ‘সরকারি কর্মকর্তাকে সাধারণ জনগণের স্যার বলতে হবে, এটা কি বাধ্যতামূলক? এই বিষয়ে সরকারের কোনো আইন আছে কি?

ফ্যাক্ট: বুড়িচং উপজেলার uno(মহিলা) কে আপা বলার কারণে খুব রাগান্বিত হয়েছেন, এটা নাকি office address না, আপা না বলে মা ডাকতাম। আমি লজ্জিত। দেশটা কি মগের মুল্লুক?’

এ বিষয়ে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সোমবার দুপুরে জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত একটি কাজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যাই। এ সময় সমস্যা তুলে ধরে সমাধান চাওয়ার সময় ইউএনওকে আপা বলে সম্বোধন করি। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। তখন তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, স্যার ডাকতে না পারলে মা ডাকবেন। এ ঘটনায় আমি বিব্রত হই। এ সময় সরকারি দফতরের কয়েকজন কর্মকর্তা ও রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা জানতে বুড়িচং উপজেলার ১ নম্বর রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওইদিনের ঘটনা সত্য। স্যার না বলায় ইউএনও মহোদয় ক্ষেপে যান।

বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনি অফিসে এসেই আমাকে আপু বলে ডাকেন। উনি বয়স্ক মানুষ হওয়াতে আমি বিব্রত হই। তাই ইতিবাচক চিন্তা থেকেই ওনাকে আপু না বলে মা সম্বোধন করতে বলি। একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।