ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: তারেক রহমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না অভিনেত্রী চমক ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, সুনামি সতর্কতা গুমের বিরুদ্ধে শক্ত আইন চায় জনগণ : রিজভী শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে হামের টিকার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তর কোরিয়ার ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, মেয়েকে নিয়ে পর্যবেক্ষণে কিম হামের টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

আপু না বলে মা বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকে ইউএনও!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আপা বলে সম্বোধন করায় রাগান্বিত হয়ে তিনি মা ডাকতে বলেছেন এক সেবা গ্রহীতাকে।

ওই সেবাগ্রহীতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের এমন আচরণে বিরক্ত হয়ে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তুলে ধরেন।

গত সোমবার (৪ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) তার স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়।

সেবাগ্রহীতার নাম জামাল উদ্দিন (৪৬)। তিনি বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজারের একজন ব্যবসায়ী এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

জামাল উদ্দিনের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- ‘সরকারি কর্মকর্তাকে সাধারণ জনগণের স্যার বলতে হবে, এটা কি বাধ্যতামূলক? এই বিষয়ে সরকারের কোনো আইন আছে কি?

ফ্যাক্ট: বুড়িচং উপজেলার uno(মহিলা) কে আপা বলার কারণে খুব রাগান্বিত হয়েছেন, এটা নাকি office address না, আপা না বলে মা ডাকতাম। আমি লজ্জিত। দেশটা কি মগের মুল্লুক?’

এ বিষয়ে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সোমবার দুপুরে জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত একটি কাজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যাই। এ সময় সমস্যা তুলে ধরে সমাধান চাওয়ার সময় ইউএনওকে আপা বলে সম্বোধন করি। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। তখন তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, স্যার ডাকতে না পারলে মা ডাকবেন। এ ঘটনায় আমি বিব্রত হই। এ সময় সরকারি দফতরের কয়েকজন কর্মকর্তা ও রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা জানতে বুড়িচং উপজেলার ১ নম্বর রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওইদিনের ঘটনা সত্য। স্যার না বলায় ইউএনও মহোদয় ক্ষেপে যান।

বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনি অফিসে এসেই আমাকে আপু বলে ডাকেন। উনি বয়স্ক মানুষ হওয়াতে আমি বিব্রত হই। তাই ইতিবাচক চিন্তা থেকেই ওনাকে আপু না বলে মা সম্বোধন করতে বলি। একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন

আপু না বলে মা বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকে ইউএনও!

আপডেট সময় ০৯:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আপা বলে সম্বোধন করায় রাগান্বিত হয়ে তিনি মা ডাকতে বলেছেন এক সেবা গ্রহীতাকে।

ওই সেবাগ্রহীতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের এমন আচরণে বিরক্ত হয়ে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তুলে ধরেন।

গত সোমবার (৪ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) তার স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়।

সেবাগ্রহীতার নাম জামাল উদ্দিন (৪৬)। তিনি বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজারের একজন ব্যবসায়ী এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

জামাল উদ্দিনের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- ‘সরকারি কর্মকর্তাকে সাধারণ জনগণের স্যার বলতে হবে, এটা কি বাধ্যতামূলক? এই বিষয়ে সরকারের কোনো আইন আছে কি?

ফ্যাক্ট: বুড়িচং উপজেলার uno(মহিলা) কে আপা বলার কারণে খুব রাগান্বিত হয়েছেন, এটা নাকি office address না, আপা না বলে মা ডাকতাম। আমি লজ্জিত। দেশটা কি মগের মুল্লুক?’

এ বিষয়ে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সোমবার দুপুরে জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত একটি কাজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যাই। এ সময় সমস্যা তুলে ধরে সমাধান চাওয়ার সময় ইউএনওকে আপা বলে সম্বোধন করি। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। তখন তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, স্যার ডাকতে না পারলে মা ডাকবেন। এ ঘটনায় আমি বিব্রত হই। এ সময় সরকারি দফতরের কয়েকজন কর্মকর্তা ও রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা জানতে বুড়িচং উপজেলার ১ নম্বর রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওইদিনের ঘটনা সত্য। স্যার না বলায় ইউএনও মহোদয় ক্ষেপে যান।

বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উনি অফিসে এসেই আমাকে আপু বলে ডাকেন। উনি বয়স্ক মানুষ হওয়াতে আমি বিব্রত হই। তাই ইতিবাচক চিন্তা থেকেই ওনাকে আপু না বলে মা সম্বোধন করতে বলি। একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।