ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসি-সরকারের সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে জুলাই অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট: টিআইবি লক্ষ্মীপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, আটক ৩ আইসিসি-পিসিবির জরুরি বৈঠকে যোগ দিতে লাহোরে বুলবুল ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের সুদানে আরএসএফের ড্রোন হামলায় ২৪ বেসামরিক নিহত ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি আজ ভোটের মাঠে নামছেন সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা হাসিনার সন্তানদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে জনগণ প্রতিহত করবে: আসিফ মাহমুদ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিডিআর নাম ও ইউনিফর্ম পুনর্বহাল করা হবে: তারেক রহমান

পরীক্ষায় অনিয়ম: স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ জনের নিয়োগ বাতিল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনকালে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান ও কার্ডিওগ্রাফার পদে প্রায় তিন হাজার কর্মীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হয় গত মার্চে। লিখিত পরীক্ষার পর মৌখিক পরীক্ষাও শেষ করা হয় দ্রুততার সঙ্গে। কিন্তু তখনই বিশাল এই নিয়োগে ওঠে দুর্নীতির অভিযোগ। তদন্ত শেষে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় এই তিন পদের দুই হাজার ৮৩৯ জনের নিয়োগ বাতিল করল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব আনজুমান আরা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই কথা জানানো হয়।

গত বছরের ২৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ৮৮৯টি পদ, মেডিকেল টেকনিশিয়ানদের এক হাজার ৮০০টি পদ এবং কার্ডিওগ্রাফার পদে ১৫০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়।

নিয়োগ বাতিল করে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরর আওতাধীন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, মেডিকেল টেকনিশিয়ান ও কার্ডিওগ্রাফার পদে নিয়োগে দুর্নীতির বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি থেকে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধিদপ্তরের আওতাধীন ওই তিন পদে জনবল নিয়োগের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, যেহেতু তদন্ত প্রতিবেদনে লিখিত পরীক্ষার খাতায় অস্পষ্টতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে, সেহেতু নিয়োগ কার্যক্রম বাতিলপূর্বক অল্পসময়ে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে দ্রুত পুনরায় নতুন নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক।

জানা গেছে, অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে ২৩ হাজার ৫২২ ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানদের বিভিন্ন গ্রুপে প্রায় ৫০ হাজার জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়। গত ১২, ১৮ এবং ১৯ ডিসেম্বর লিখিত পরীক্ষা হয়।

এ বছর ২২ ফেব্রুয়ারি ও ১০ মার্চ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষাও নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর পরীক্ষায় অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরে অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করা হয় তদন্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পরীক্ষায় অনিয়ম: স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ জনের নিয়োগ বাতিল

আপডেট সময় ১১:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনকালে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান ও কার্ডিওগ্রাফার পদে প্রায় তিন হাজার কর্মীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হয় গত মার্চে। লিখিত পরীক্ষার পর মৌখিক পরীক্ষাও শেষ করা হয় দ্রুততার সঙ্গে। কিন্তু তখনই বিশাল এই নিয়োগে ওঠে দুর্নীতির অভিযোগ। তদন্ত শেষে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় এই তিন পদের দুই হাজার ৮৩৯ জনের নিয়োগ বাতিল করল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব আনজুমান আরা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই কথা জানানো হয়।

গত বছরের ২৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ৮৮৯টি পদ, মেডিকেল টেকনিশিয়ানদের এক হাজার ৮০০টি পদ এবং কার্ডিওগ্রাফার পদে ১৫০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়।

নিয়োগ বাতিল করে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরর আওতাধীন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, মেডিকেল টেকনিশিয়ান ও কার্ডিওগ্রাফার পদে নিয়োগে দুর্নীতির বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি থেকে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধিদপ্তরের আওতাধীন ওই তিন পদে জনবল নিয়োগের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, যেহেতু তদন্ত প্রতিবেদনে লিখিত পরীক্ষার খাতায় অস্পষ্টতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে, সেহেতু নিয়োগ কার্যক্রম বাতিলপূর্বক অল্পসময়ে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে দ্রুত পুনরায় নতুন নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক।

জানা গেছে, অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে ২৩ হাজার ৫২২ ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানদের বিভিন্ন গ্রুপে প্রায় ৫০ হাজার জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়। গত ১২, ১৮ এবং ১৯ ডিসেম্বর লিখিত পরীক্ষা হয়।

এ বছর ২২ ফেব্রুয়ারি ও ১০ মার্চ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষাও নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর পরীক্ষায় অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরে অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করা হয় তদন্ত।