ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছিল বিএনপি: পানিসম্পদ মন্ত্রী মাত্র ১২৫ টাকায় তদবির ছাড়া চাকরি পাওয়া গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল: মীর হেলাল গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার আমরা সবই করতে চাই, তবে আমাদের হাত-পা বাঁধা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ভারত-আমেরিকার আধিপত্য মেনে নেব না: নাহিদ ইসলাম চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প মেট্রোরেলসহ গণপরিবহনে সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-জাপান

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছিল বিএনপি: পানিসম্পদ মন্ত্রী

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আপডেট সময় ১০:২৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।