ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আপডেট সময় ১০:২৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।