ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নরের ৩ বছরের কারাদণ্ড রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি বাসার সামনে গল্প করছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আপডেট সময় ১০:২৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।