ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান ‘জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে’ সিলেটে তিন বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত দুই, আহত ১০ বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা দেশে হিসাব কারচুপির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার হয়েছে :পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন আ.লীগ নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গণঅধিকারকে বেছে নেবে: নুর

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

আপডেট সময় ১০:২৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রশ্ন: ইসলামে সন্তান পালক নেওয়ার নিয়ম কী?

উত্তর: ইসলামের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি শিশুই তার আপন বাবা-মায়ের পরিচয়ে বড় হবে। সন্তানের আইডেন্টিটি বদলানোর মাধ্যমে প্রচলিত যে পালক পিতামাতার রেওয়াজ চালু হয়েছে তা ইসলাম সমর্থিত নয়।

পালক ছেলে/মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে তার পালক পিতা মাতার জন্য অন্য দশজন মানুষের মতোই গাইরে মাহরাম সাব্যস্ত হবে। (যদি সন্তানটিকে গাইরে মাহরামের থেকে পালক নেওয়া হয়ে থাকে)

তবে ইসলাম আমাদের অসহায় শিশু ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ উদ্বুদ্ধ করে। তাই যদি বাচ্চার মূল পরিচয় না বদলে (যদি বাবা-মা মারা গিয়ে থাকে বা ত্যাগ করে থাকে) অথবা বাচ্চার বাবা-মাকে সন্তানের সংস্পর্শ থেকে বঞ্চিত না করে (যদি বাবা-মা জীবিত থাকে) কোন অনাত্মীয় বাচ্চাকে কাছে রাখতে পারেন, তা হলে এতে আপত্তির কিছু নেই।

এটা সাধুবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। তবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার সঙ্গে পর্দা করতে হবে।