ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন নাজুক অবস্থায় রয়েছে: রুমিন ফারহানা ইরানকে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি করতে দেওয়া হবে না: নেতানিয়াহু ভাসানী জনশক্তি পার্টির সমাবেশ:পুশইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি সংশোধিত হচ্ছে সাইবার আইন, গুজব-মানহানিতে থাকবে কঠোর শাস্তি যুদ্ধ বা আলোচনা কোনোটিই ত্যাগ করেনি ইরান: পেজেশকিয়ান সংসদীয় এলাকায় বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ আখতার ও হান্নান মাসউদের বিসিবির পরিচালক থেকে পদত্যাগ করলেন মীর সীমান্ত ১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য সরকারের: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর কোনো উপায় নেই: ট্রাম্প

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বৈঠক চায় যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স, নীরব চীন-রাশিয়া

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মায়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের চলমান সহিংসতার বিষয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের সাতটি দেশ। বাকি আটটি দেশ এ ব্যাপারে এখনো নীরব রয়েছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ সাতটি দেশ আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করার আহ্বান জানিয়েছে। বাকি চারটি দেশ হলো সুইডেন, মিসর, সেনেগাল ও কাজাখস্তান। কিন্তু চীন, রাশিয়া, বলিভিয়া, ইথিওপিয়া, ইতালি, জাপান, ইউক্রেন ও উরুগুয়ে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দেয়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, উল্লিখিত সাতটি দেশ চায়, আগামী সপ্তাহে ইথিওপিয়ায় এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হোক। গত ২৫ আগস্ট শুরু হওয়া সহিংসতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ২২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিক। সহিংসতা শুরুর পর নিরাপত্তা পরিষদ এ পর্যন্ত দুটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে এর নিন্দা জানিয়ে সহিংসতা বন্ধে একটি অনানুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে নিরাপত্তা পরিষদ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে পারে। কিন্তু চীন ও রাশিয়া মায়ানমারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। যদি না হয়, তাহলে কোনো প্রস্তাব পাস করা সম্ভব হবে না।

কারণ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া) যেকোনো একটি দেশ ভেটো (আমি মানি না) দিলে কোনো প্রস্তাব পাস হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বৈঠক চায় যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স, নীরব চীন-রাশিয়া

আপডেট সময় ১১:৪১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মায়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের চলমান সহিংসতার বিষয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের সাতটি দেশ। বাকি আটটি দেশ এ ব্যাপারে এখনো নীরব রয়েছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ সাতটি দেশ আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করার আহ্বান জানিয়েছে। বাকি চারটি দেশ হলো সুইডেন, মিসর, সেনেগাল ও কাজাখস্তান। কিন্তু চীন, রাশিয়া, বলিভিয়া, ইথিওপিয়া, ইতালি, জাপান, ইউক্রেন ও উরুগুয়ে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দেয়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, উল্লিখিত সাতটি দেশ চায়, আগামী সপ্তাহে ইথিওপিয়ায় এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হোক। গত ২৫ আগস্ট শুরু হওয়া সহিংসতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ২২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিক। সহিংসতা শুরুর পর নিরাপত্তা পরিষদ এ পর্যন্ত দুটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে এর নিন্দা জানিয়ে সহিংসতা বন্ধে একটি অনানুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে নিরাপত্তা পরিষদ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে পারে। কিন্তু চীন ও রাশিয়া মায়ানমারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। যদি না হয়, তাহলে কোনো প্রস্তাব পাস করা সম্ভব হবে না।

কারণ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া) যেকোনো একটি দেশ ভেটো (আমি মানি না) দিলে কোনো প্রস্তাব পাস হবে না।