ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বৈঠক চায় যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স, নীরব চীন-রাশিয়া

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মায়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের চলমান সহিংসতার বিষয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের সাতটি দেশ। বাকি আটটি দেশ এ ব্যাপারে এখনো নীরব রয়েছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ সাতটি দেশ আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করার আহ্বান জানিয়েছে। বাকি চারটি দেশ হলো সুইডেন, মিসর, সেনেগাল ও কাজাখস্তান। কিন্তু চীন, রাশিয়া, বলিভিয়া, ইথিওপিয়া, ইতালি, জাপান, ইউক্রেন ও উরুগুয়ে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দেয়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, উল্লিখিত সাতটি দেশ চায়, আগামী সপ্তাহে ইথিওপিয়ায় এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হোক। গত ২৫ আগস্ট শুরু হওয়া সহিংসতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ২২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিক। সহিংসতা শুরুর পর নিরাপত্তা পরিষদ এ পর্যন্ত দুটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে এর নিন্দা জানিয়ে সহিংসতা বন্ধে একটি অনানুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে নিরাপত্তা পরিষদ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে পারে। কিন্তু চীন ও রাশিয়া মায়ানমারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। যদি না হয়, তাহলে কোনো প্রস্তাব পাস করা সম্ভব হবে না।

কারণ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া) যেকোনো একটি দেশ ভেটো (আমি মানি না) দিলে কোনো প্রস্তাব পাস হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বৈঠক চায় যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স, নীরব চীন-রাশিয়া

আপডেট সময় ১১:৪১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মায়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের চলমান সহিংসতার বিষয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের সাতটি দেশ। বাকি আটটি দেশ এ ব্যাপারে এখনো নীরব রয়েছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ সাতটি দেশ আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করার আহ্বান জানিয়েছে। বাকি চারটি দেশ হলো সুইডেন, মিসর, সেনেগাল ও কাজাখস্তান। কিন্তু চীন, রাশিয়া, বলিভিয়া, ইথিওপিয়া, ইতালি, জাপান, ইউক্রেন ও উরুগুয়ে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দেয়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, উল্লিখিত সাতটি দেশ চায়, আগামী সপ্তাহে ইথিওপিয়ায় এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হোক। গত ২৫ আগস্ট শুরু হওয়া সহিংসতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ২২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিক। সহিংসতা শুরুর পর নিরাপত্তা পরিষদ এ পর্যন্ত দুটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে এর নিন্দা জানিয়ে সহিংসতা বন্ধে একটি অনানুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে নিরাপত্তা পরিষদ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে পারে। কিন্তু চীন ও রাশিয়া মায়ানমারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। যদি না হয়, তাহলে কোনো প্রস্তাব পাস করা সম্ভব হবে না।

কারণ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া) যেকোনো একটি দেশ ভেটো (আমি মানি না) দিলে কোনো প্রস্তাব পাস হবে না।