আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মামলার তদন্ত করতে গিয়ে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম সাকলায়েন শিথিলের প্রেমের ঘটনা নিয়ে পুলিশ বিব্রত বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, একজন বিসিএস ক্যাডার অফিসার এমন অনৈতিক কাজে জড়াবে এটা মানা যায় না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি ঢাকার অদূরে তুরাগতীরে বহুল আলোচিত বোট ক্লাব মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন সাকলায়েন। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত চলার সময় নায়িকা পরীমণির সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে পুলিশ বিব্রত জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বোট ক্লাবের ঘটনায় পরীমনির মামলাটি হয়েছে ঢাকা জেলায়। এই মামলার সঙ্গে সাকলায়েনের কোনো সম্পর্ক নেই। একজন বিসিএস ক্যাডার অফিসার এমন অনৈতিক কাজে জড়াবে এটা মানা যায় না।’
সাকলায়েনের ঘটনাটি অপরাধ নয় উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, সাকলায়েনের ঘটনাটি আইনের চোখে ছোট অপরাধ। তবে চাকরিবিধি ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। চাকরি বিধি আর আইন আলাদা। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, পরীমনির ঘটনার পরে আন্ডার ওয়ার্ল্ড নিয়ে পুলিশ একটু নড়েচড়ে বসেছে। আন্ডার ওয়ার্ল্ড আমাদের সামনে এসেছে। তদন্ত করে আমরা দেখলাম অনেক অনৈতিক কাজ হচ্ছে। তখন আমরা একটি অভিযানে গেলাম। এ ধরনের কার্যকালাপ যদি চলে তাহলে অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হবে।’
‘ধর্মীয় দৃষ্টিতে এটা বড় ধরনের অপরাধ হলেও বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এটা খুব ছোট একটি অপরাধ।’
রিমান্ডে নাম বলা ও তালিকা তৈরির বিষয়ে সমাজের প্রতিষ্ঠিত কিছু ব্যবসায়ির মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ কিংবা সিআইডির পক্ষ থেকে কোনো তালিকা করা হচ্ছে না। আমি নিজে সিআইডি প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনিও বলেছেন, তালিকা তৈরির আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। এই ধরনের কাজ পুলিশের কোনো সংস্থা করছে না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















