ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

বরিশালে দুই মাথা ও তিন পা নিয়ে শিশুর জন্ম,

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই মাথা এবং তিন পা নিয়ে জন্ম হওয়া এক নবজাতক দুই ঘণ্টা পরই মারা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চাঁদমারীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। ওই রাতেই তার মরদেহ নগরীর মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানান শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বকশির ঘটিচোরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল ও শারমিন বেগম (৩৫) দম্পত্তির প্রথম সন্তান ছিল এটি।
আব্দুল জলিল জানান, তার স্ত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তারা। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার স্ত্রীর গর্ভে দুটি মাথা থাকার কথা জানান স্বজনদের। পরে পিরোজপুর জেলা সদরে ডাক্তার দেখানো হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তার গর্ভে দুটি বাচ্চা আছে বলে জানান। গর্ভকাল পূর্ণ হওয়ার পর তারা বরিশালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তানিয়া আফরোজের শরণাপন্ন হন। গত মঙ্গলবার তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শারমিনের গর্ভে জোড়া লাগানো দুই মাথাওয়ালা একটি বাচ্চা থাকার বিষয়টি তার স্বজনদের নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শারমিনের গর্ভ থেকে দুই মাথা এবং তিন পা ওয়ালা একটি নবজাতক ভূমিষ্ঠ করেন ডা. তানিয়া আফরোজ।

জন্মের পর নবজাতক নড়াচড়া না করলেও মল ত্যাগ করে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে প্রেরণ করেন তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. তানিয়া আফরোজ বলেন, ‘শারীরিক ও গঠনগত ত্রুটির কারণে এ ধরনের নবজাতকের মৃত্যু হতে পারে। ওই নবজাতক জন্মের পর মলত্যাগ করলেও নড়াচড়া করেনি। এ কারণে তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

ডা. তানিয়া আরও জানান, ওই নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বাচ্চা প্রসব করেছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের পর তার শরীরে কিছুটা রক্ত শূন্যতা দেখা দিলেও বর্তমানে সে ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিকভাবে সে অনেকটাই সুস্থ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

বরিশালে দুই মাথা ও তিন পা নিয়ে শিশুর জন্ম,

আপডেট সময় ১০:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই মাথা এবং তিন পা নিয়ে জন্ম হওয়া এক নবজাতক দুই ঘণ্টা পরই মারা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চাঁদমারীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। ওই রাতেই তার মরদেহ নগরীর মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানান শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বকশির ঘটিচোরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল ও শারমিন বেগম (৩৫) দম্পত্তির প্রথম সন্তান ছিল এটি।
আব্দুল জলিল জানান, তার স্ত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তারা। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার স্ত্রীর গর্ভে দুটি মাথা থাকার কথা জানান স্বজনদের। পরে পিরোজপুর জেলা সদরে ডাক্তার দেখানো হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তার গর্ভে দুটি বাচ্চা আছে বলে জানান। গর্ভকাল পূর্ণ হওয়ার পর তারা বরিশালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তানিয়া আফরোজের শরণাপন্ন হন। গত মঙ্গলবার তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে শারমিনের গর্ভে জোড়া লাগানো দুই মাথাওয়ালা একটি বাচ্চা থাকার বিষয়টি তার স্বজনদের নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শারমিনের গর্ভ থেকে দুই মাথা এবং তিন পা ওয়ালা একটি নবজাতক ভূমিষ্ঠ করেন ডা. তানিয়া আফরোজ।

জন্মের পর নবজাতক নড়াচড়া না করলেও মল ত্যাগ করে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে প্রেরণ করেন তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।

ডা. তানিয়া আফরোজ বলেন, ‘শারীরিক ও গঠনগত ত্রুটির কারণে এ ধরনের নবজাতকের মৃত্যু হতে পারে। ওই নবজাতক জন্মের পর মলত্যাগ করলেও নড়াচড়া করেনি। এ কারণে তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

ডা. তানিয়া আরও জানান, ওই নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসূতি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বাচ্চা প্রসব করেছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের পর তার শরীরে কিছুটা রক্ত শূন্যতা দেখা দিলেও বর্তমানে সে ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিকভাবে সে অনেকটাই সুস্থ।