ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি বছরেই প্রতি উপজেলা হাসপাতালে স্থাপন হবে ক্যাথ ল্যাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার ১ বছরে খাওয়া-দাওয়ার খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী নাটোরে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আমরা সরকার গঠন করে শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দরজা খুলেই দেখলেন শাশুড়ির রক্তাক্ত লাশ, পাশের কক্ষে কাঁদছিল দুই বছরের মেয়ে

‘ক্রেতা-বিক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণ করবে ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা’

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সদ্যঘোষিত ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে। এই নির্দেশিকা প্রতিপালনের মাধ্যমে ই-কমার্স খাতে শৃংখলা প্রতিষ্ঠিত হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সরকারি এবং বেসরকারি সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের মতামত নিয়ে একাধিকবার আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত করেছে।

৬ জুলাই মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) এর যৌথ আয়োজনে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা বিষয়ে আয়োজিত এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন এটা একটা আইনগত প্রক্রিয়ার সূচনা। প্রয়োজনে সকলের মতামত নিয়ে ভবিষ্যতে এটি সংশোধন করা হবে।

মন্ত্রী ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরেন।

৪ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিওটিও সেল থেকে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। ডিজিটাল কমার্স পলিসি ২০১৮ এর ৩.৩.৬ বিধির নির্দেশনা অনুসারে এটি প্রনয়ন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, দ্রুততার সহিত এই নীতিমালা চূড়ান্তকরণকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সমস্যার সমাধানের একটা গাইডলাইন এই নীতিমালা। এছাড়া প্রচলিত আইন ও সংশ্লিষ্ঠ সকল পক্ষের মতামত সমন্বয় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে এই নির্দেশিকা বাস্তবায়ন সহজ হবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা বলেন, এই নির্দেশিকা বাস্তবায়ন এর ক্ষেত্রে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার এর মাধ্যমে এটি প্রতিপালন করলে এর সুফল সকলের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ইতোপূর্বে বিভিন্ন অস্বাভাবিক অফারের ক্ষেত্রেও আমরা একটা নির্দেশনা দিয়েছি। ডিজিটাল কমার্স সেক্টরকে এই নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আহবান জানাব। আমরা আশা করি প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দিয়ে অ্যাসোসিয়েশন এবং ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো কমিশনকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার বলেন বলেন, আমরা ই-ক্যাব থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্য ই-ক্যাবের সদস্যদের মতামত সংকলিত করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পেশ করেছি। এখানে যাতে ক্রেতাদের অধিকার রক্ষা পায় এবং বিক্রেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় দুটো বিষয় রাখার চেষ্টা করেছি।

ই-ক্যাব সভাপতি এই নির্দেশিকা দ্রুত চূড়ান্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ সকলকে ধন্যবাদ জানান। বাস্তবতার আলোকে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য ই-ক্যাব সরকারের সাথে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

আলোচনায় অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক, ডব্লিউটিও সেল ও অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান, বেসিস-এর প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আলমাস কবীর প্রমুখ।

চলতি বছর মার্চ মাসে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১ এর খসড়া করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত ২০ মার্চ সরকারি বিভিন্ন এজেন্সির মতামত সমন্বয় করে একটি সভার মাধ্যমে অংশীজনদের মতামত নেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ, কিছুই খেতে পারছি না, চুলাও জ্বলছে না’

‘ক্রেতা-বিক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণ করবে ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা’

আপডেট সময় ০৯:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সদ্যঘোষিত ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে। এই নির্দেশিকা প্রতিপালনের মাধ্যমে ই-কমার্স খাতে শৃংখলা প্রতিষ্ঠিত হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সরকারি এবং বেসরকারি সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের মতামত নিয়ে একাধিকবার আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত করেছে।

৬ জুলাই মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) এর যৌথ আয়োজনে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা বিষয়ে আয়োজিত এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন এটা একটা আইনগত প্রক্রিয়ার সূচনা। প্রয়োজনে সকলের মতামত নিয়ে ভবিষ্যতে এটি সংশোধন করা হবে।

মন্ত্রী ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরেন।

৪ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিওটিও সেল থেকে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। ডিজিটাল কমার্স পলিসি ২০১৮ এর ৩.৩.৬ বিধির নির্দেশনা অনুসারে এটি প্রনয়ন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, দ্রুততার সহিত এই নীতিমালা চূড়ান্তকরণকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সমস্যার সমাধানের একটা গাইডলাইন এই নীতিমালা। এছাড়া প্রচলিত আইন ও সংশ্লিষ্ঠ সকল পক্ষের মতামত সমন্বয় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে এই নির্দেশিকা বাস্তবায়ন সহজ হবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা বলেন, এই নির্দেশিকা বাস্তবায়ন এর ক্ষেত্রে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার এর মাধ্যমে এটি প্রতিপালন করলে এর সুফল সকলের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ইতোপূর্বে বিভিন্ন অস্বাভাবিক অফারের ক্ষেত্রেও আমরা একটা নির্দেশনা দিয়েছি। ডিজিটাল কমার্স সেক্টরকে এই নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আহবান জানাব। আমরা আশা করি প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দিয়ে অ্যাসোসিয়েশন এবং ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো কমিশনকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার বলেন বলেন, আমরা ই-ক্যাব থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্য ই-ক্যাবের সদস্যদের মতামত সংকলিত করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পেশ করেছি। এখানে যাতে ক্রেতাদের অধিকার রক্ষা পায় এবং বিক্রেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় দুটো বিষয় রাখার চেষ্টা করেছি।

ই-ক্যাব সভাপতি এই নির্দেশিকা দ্রুত চূড়ান্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ সকলকে ধন্যবাদ জানান। বাস্তবতার আলোকে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য ই-ক্যাব সরকারের সাথে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

আলোচনায় অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক, ডব্লিউটিও সেল ও অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান, বেসিস-এর প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আলমাস কবীর প্রমুখ।

চলতি বছর মার্চ মাসে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১ এর খসড়া করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত ২০ মার্চ সরকারি বিভিন্ন এজেন্সির মতামত সমন্বয় করে একটি সভার মাধ্যমে অংশীজনদের মতামত নেয়া হয়।