ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার রাজধানীর তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের

বস্ত্র খাতে প্রণোদনা সুবিধা বেড়েছে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বস্ত্র খাতের কম্পোজিট (যারা একই সঙ্গে ফেব্রিকস ও পোশাক তৈরি করেন) মিলের রপ্তানিকারকরা নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বস্ত্র তৈরি করলেও এখন থেকে নগদ সহায়তা পাবেন। আগে শুধু নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে বস্ত্র তৈরি করলে এ সহায়তা পেতেন। গত সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিমুখী কম্পোজিট তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে বিটিএমএ সদস্য মিল থেকে সুতা সংগ্রহ করে অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উৎপাদিত বস্ত্র থেকে প্রস্তুতকৃত পোশাক রপ্তানির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রাপক পক্ষ নগদ সহায়তা পাবে। এরই প্রেক্ষিতে আবেদন ফরম ‘খ’ তে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর জারিকৃত পণ্যের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তার আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে যে সকল ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে আবেদনপত্র দাখিলের নির্ধারিত ১৮০ দিনের সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে এ প্রজ্ঞাপন জারির ৪৫ দিনের মধ্যে আবেদন দাখিল করা যাবে। এছাড়া এ সংক্রান্ত আগের সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওজন কমানোর ইনজেকশনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে: ইউসিএল

বস্ত্র খাতে প্রণোদনা সুবিধা বেড়েছে

আপডেট সময় ০৫:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বস্ত্র খাতের কম্পোজিট (যারা একই সঙ্গে ফেব্রিকস ও পোশাক তৈরি করেন) মিলের রপ্তানিকারকরা নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বস্ত্র তৈরি করলেও এখন থেকে নগদ সহায়তা পাবেন। আগে শুধু নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে বস্ত্র তৈরি করলে এ সহায়তা পেতেন। গত সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিমুখী কম্পোজিট তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে বিটিএমএ সদস্য মিল থেকে সুতা সংগ্রহ করে অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উৎপাদিত বস্ত্র থেকে প্রস্তুতকৃত পোশাক রপ্তানির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রাপক পক্ষ নগদ সহায়তা পাবে। এরই প্রেক্ষিতে আবেদন ফরম ‘খ’ তে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর জারিকৃত পণ্যের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তার আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে যে সকল ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে আবেদনপত্র দাখিলের নির্ধারিত ১৮০ দিনের সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে এ প্রজ্ঞাপন জারির ৪৫ দিনের মধ্যে আবেদন দাখিল করা যাবে। এছাড়া এ সংক্রান্ত আগের সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।