ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল দাবি আদায় না হলে সারারাত ইসি অবরুদ্ধ রাখবে ছাত্রদল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

পেরুকে হারিয়ে ফাইনালে ব্রাজিল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পেরুকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠেছে ব্রাজিল। সেমিফাইনালে ১-০ গোলে জিতে মহাদেশীয় আসরটিতে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা করে নিল তিতের শিষ্যরা। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন লুকাস পাকুয়েতা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় ভোরে রিও দে জেনেইরোর নিল্তন সান্তোস স্টেডিয়ামে শেষ চারের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ব্রাজিল ও পেরু। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়া সেলেকাওদের অবশ্য বিরতির পর পেরু বেশ চেপে ধরে। তবে গ্রুপ পর্বের পর এবারও হারতে হলো দলটিকে।

আধিপত্য বিস্তার করে খেলা ব্রাজিল এদিন খেলার অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো। তবে রিশার্লিসনের পাসে নেইমারের শট অল্পের জন্য জালের দেখা পায়নি। ১৩তম মিনিটে ফের সুযোগ আসে দলটির সামনে। কাসেমিরোর ঝড়ো ফ্রি-কিক গোলরক্ষক কোনোমতে ফিরিয়ে দিলেও হাতে জমাতে পারেননি। অবশ্য ফিরতি শটে গোল আদায় করে নিতে পারেননি এভারতন।

ম্যাচের ১৯তম মিনিটে দুবার ভালো সুযোগ আসে ব্রাজিলের। কিন্তু পেরু গোলরক্ষকের সুবাদে বেঁচে যায় দলটি। প্রথমে কাসেমিরোর দূরপাল্লার শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গায়েসে। পরেই পাকুয়েতার বাড়ানো বলে নেইমারের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকানোর পর রিশার্লিসনের ফিরতি শটও রুখে দেন এই গোলরক্ষক।

অবশেষে ৩৫তম মিনিটে ব্রাজিলকে আর রুখেত পারেননি গায়েসে। মাঝ মাঠ থেকে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় ডি-বক্সে ঢুকে যান নেইমার। সেখান থেকে অসাধারণ তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অরক্ষিত পাকুয়েতাকে পাস দেন তিনি। পরে এক শটে অনায়াসেই গোলটি অলিম্পিক লিওঁর এই মিডফিল্ডার।

বিরতির পর ম্যাচে ফেরার আপ্রান চেষ্টা করে পেরু। ৫০তম মিনিটে নিজেদের অর্ধ থেকে ইয়োশিমার ইয়োতুনের বাড়ানো বল ধরে ডি বক্স থেকে শট নেন জানলুকা লাপাদুলা। ঝাঁপিয়ে কোনোমতে ফেরান এদেরসন। ফিরতি বল ক্লিয়ার করেন ব্রাজিলের এক খেলোয়াড়। পরে ৬১তম মিনিটে দূরপাল্লার শটে এদেরসনের পরীক্ষা নেন রাসিয়েল গার্সিয়া। ঝাঁপিয়ে পড়ে এবারও জাল অক্ষত রাখেন ম্যানচেস্টার সিটি গোলরক্ষক।

ম্যাচের ৮১তম মিনিটে ফের গোল বঞ্চিত হয় পেরু। ইয়োতুনের ফ্রি কিক থেকে আলেকসান্দার কায়েন্সের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি।

প্রতি আক্রমণে ব্রাজিলেরও আরও কিছু প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। যদিও সেভাবে পেরু গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিতে পারেননি নেইমাররা। অন্যদিকে পেরুও আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফলে ১-০ গোলের জয়েই ফাইনাল নিশ্চিত করে ব্রাজিল।

আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার মধ্যে বিজয়ীর সঙ্গে আগামী ১১ জুলাই ফাইনালে খেলবে তিতের শিষ্যরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

পেরুকে হারিয়ে ফাইনালে ব্রাজিল

আপডেট সময় ১২:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পেরুকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠেছে ব্রাজিল। সেমিফাইনালে ১-০ গোলে জিতে মহাদেশীয় আসরটিতে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা করে নিল তিতের শিষ্যরা। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন লুকাস পাকুয়েতা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় ভোরে রিও দে জেনেইরোর নিল্তন সান্তোস স্টেডিয়ামে শেষ চারের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ব্রাজিল ও পেরু। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়া সেলেকাওদের অবশ্য বিরতির পর পেরু বেশ চেপে ধরে। তবে গ্রুপ পর্বের পর এবারও হারতে হলো দলটিকে।

আধিপত্য বিস্তার করে খেলা ব্রাজিল এদিন খেলার অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো। তবে রিশার্লিসনের পাসে নেইমারের শট অল্পের জন্য জালের দেখা পায়নি। ১৩তম মিনিটে ফের সুযোগ আসে দলটির সামনে। কাসেমিরোর ঝড়ো ফ্রি-কিক গোলরক্ষক কোনোমতে ফিরিয়ে দিলেও হাতে জমাতে পারেননি। অবশ্য ফিরতি শটে গোল আদায় করে নিতে পারেননি এভারতন।

ম্যাচের ১৯তম মিনিটে দুবার ভালো সুযোগ আসে ব্রাজিলের। কিন্তু পেরু গোলরক্ষকের সুবাদে বেঁচে যায় দলটি। প্রথমে কাসেমিরোর দূরপাল্লার শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গায়েসে। পরেই পাকুয়েতার বাড়ানো বলে নেইমারের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকানোর পর রিশার্লিসনের ফিরতি শটও রুখে দেন এই গোলরক্ষক।

অবশেষে ৩৫তম মিনিটে ব্রাজিলকে আর রুখেত পারেননি গায়েসে। মাঝ মাঠ থেকে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় ডি-বক্সে ঢুকে যান নেইমার। সেখান থেকে অসাধারণ তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অরক্ষিত পাকুয়েতাকে পাস দেন তিনি। পরে এক শটে অনায়াসেই গোলটি অলিম্পিক লিওঁর এই মিডফিল্ডার।

বিরতির পর ম্যাচে ফেরার আপ্রান চেষ্টা করে পেরু। ৫০তম মিনিটে নিজেদের অর্ধ থেকে ইয়োশিমার ইয়োতুনের বাড়ানো বল ধরে ডি বক্স থেকে শট নেন জানলুকা লাপাদুলা। ঝাঁপিয়ে কোনোমতে ফেরান এদেরসন। ফিরতি বল ক্লিয়ার করেন ব্রাজিলের এক খেলোয়াড়। পরে ৬১তম মিনিটে দূরপাল্লার শটে এদেরসনের পরীক্ষা নেন রাসিয়েল গার্সিয়া। ঝাঁপিয়ে পড়ে এবারও জাল অক্ষত রাখেন ম্যানচেস্টার সিটি গোলরক্ষক।

ম্যাচের ৮১তম মিনিটে ফের গোল বঞ্চিত হয় পেরু। ইয়োতুনের ফ্রি কিক থেকে আলেকসান্দার কায়েন্সের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি।

প্রতি আক্রমণে ব্রাজিলেরও আরও কিছু প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। যদিও সেভাবে পেরু গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিতে পারেননি নেইমাররা। অন্যদিকে পেরুও আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফলে ১-০ গোলের জয়েই ফাইনাল নিশ্চিত করে ব্রাজিল।

আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার মধ্যে বিজয়ীর সঙ্গে আগামী ১১ জুলাই ফাইনালে খেলবে তিতের শিষ্যরা।