অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
দুই অনুসারীকে ধর্ষণের দায়ে গতমাসে ২০ বছরের জেল হয় ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের। ভণ্ড বাবার জেলে যাওয়ার দিন থেকে পলাতক ‘পালিত কন্যা’ হানিপ্রীতও। কিন্তু রাম রহিমের ডেরা সাচ্চা সওদা থেকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এবার সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে মাটির নিচে মিলল প্রায় ৬০০ কঙ্কাল। কঙ্কালগুলো ডেরার বিভিন্ন স্থানে পোঁতা হয়েছিল। ভারতের বিশেষ তদন্তকারী দল সিট-এর জিজ্ঞাসাবাদে রাম রহিম নিজেই এ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কঙ্কালগুলো কোথায় কোথায় পোঁতা আছে, জেরার মুখে তাও বলে দিয়েছেন ধর্ষক বাবা।
ডেরার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পি আর নইনের কাছ থেকেও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি আদায় করেছে সিট। নথিতে ডেরার গণকবরের উল্লেখ ছিল। ডেরায় কর্মরত এক জার্মান বিজ্ঞানীর পরামর্শে ওই গণকবরের ওপরে গাছের চারা রোপন করান রাম রহিম।
সিটের তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরায় রাম রহিমের এক সাধ্বী জানান, বহু বছর ধরে নিখোঁজ তার সন্তান। নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটি ডেরাতে থাকত। ধর্ষক বাবার কথা মতো ওই নারী তার সন্তানকে ডেরায় উৎসর্গ করেছিলেন।
সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে ‘সেবা’র কাজে শিশুদের ব্যবহার করা হতো। শিশু জোগাড়ের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিতেন রাম রহিম। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই পানিপথের ওই নারী নিজের সন্তানকে ডেরায় নিয়ে এসেছিলেন।
ডেরা এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, আশ্রমের আবাসিকদের মৃত্যুর পর ডেরার অভ্যন্তরেই সমাধিস্থ করা হতো।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























