ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো যশোরে জামায়াত এমপির বাড়ি ঘেরাও তুরস্ককে ‘এফ-৩৫’ দেওয়া নিয়ে নেতানিয়াহুর আপত্তি উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের:অমানবিক আচরণ’ বন্ধের আহ্বান বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নরের ৩ বছরের কারাদণ্ড রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি হাসনাত-সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেনি: রাশেদ বাসার সামনে গল্প করছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি

এবার রাম রহিমের ডেরায় মিলল ৬০০ কঙ্কাল

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই অনুসারীকে ধর্ষণের দায়ে গতমাসে ২০ বছরের জেল হয় ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের। ভণ্ড বাবার জেলে যাওয়ার দিন থেকে পলাতক ‘পালিত কন্যা’ হানিপ্রীতও। কিন্তু রাম রহিমের ডেরা সাচ্চা সওদা থেকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এবার সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে মাটির নিচে মিলল প্রায় ৬০০ কঙ্কাল। কঙ্কালগুলো ডেরার বিভিন্ন স্থানে পোঁতা হয়েছিল। ভারতের বিশেষ তদন্তকারী দল সিট-এর জিজ্ঞাসাবাদে রাম রহিম নিজেই এ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কঙ্কালগুলো কোথায় কোথায় পোঁতা আছে, জেরার মুখে তাও বলে দিয়েছেন ধর্ষক বাবা।

ডেরার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পি আর নইনের কাছ থেকেও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি আদায় করেছে সিট। নথিতে ডেরার গণকবরের উল্লেখ ছিল। ডেরায় কর্মরত এক জার্মান বিজ্ঞানীর পরামর্শে ওই গণকবরের ওপরে গাছের চারা রোপন করান রাম রহিম।

সিটের তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরায় রাম রহিমের এক সাধ্বী জানান, বহু বছর ধরে নিখোঁজ তার সন্তান। নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটি ডেরাতে থাকত। ধর্ষক বাবার কথা মতো ওই নারী তার সন্তানকে ডেরায় উৎসর্গ করেছিলেন।

সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে ‘সেবা’র কাজে শিশুদের ব্যবহার করা হতো। শিশু জোগাড়ের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিতেন রাম রহিম। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই পানিপথের ওই নারী নিজের সন্তানকে ডেরায় নিয়ে এসেছিলেন।

ডেরা এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, আশ্রমের আবাসিকদের মৃত্যুর পর ডেরার অভ্যন্তরেই সমাধিস্থ করা হতো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

এবার রাম রহিমের ডেরায় মিলল ৬০০ কঙ্কাল

আপডেট সময় ০৫:০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই অনুসারীকে ধর্ষণের দায়ে গতমাসে ২০ বছরের জেল হয় ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের। ভণ্ড বাবার জেলে যাওয়ার দিন থেকে পলাতক ‘পালিত কন্যা’ হানিপ্রীতও। কিন্তু রাম রহিমের ডেরা সাচ্চা সওদা থেকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এবার সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে মাটির নিচে মিলল প্রায় ৬০০ কঙ্কাল। কঙ্কালগুলো ডেরার বিভিন্ন স্থানে পোঁতা হয়েছিল। ভারতের বিশেষ তদন্তকারী দল সিট-এর জিজ্ঞাসাবাদে রাম রহিম নিজেই এ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কঙ্কালগুলো কোথায় কোথায় পোঁতা আছে, জেরার মুখে তাও বলে দিয়েছেন ধর্ষক বাবা।

ডেরার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পি আর নইনের কাছ থেকেও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি আদায় করেছে সিট। নথিতে ডেরার গণকবরের উল্লেখ ছিল। ডেরায় কর্মরত এক জার্মান বিজ্ঞানীর পরামর্শে ওই গণকবরের ওপরে গাছের চারা রোপন করান রাম রহিম।

সিটের তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরায় রাম রহিমের এক সাধ্বী জানান, বহু বছর ধরে নিখোঁজ তার সন্তান। নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটি ডেরাতে থাকত। ধর্ষক বাবার কথা মতো ওই নারী তার সন্তানকে ডেরায় উৎসর্গ করেছিলেন।

সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে ‘সেবা’র কাজে শিশুদের ব্যবহার করা হতো। শিশু জোগাড়ের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিতেন রাম রহিম। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই পানিপথের ওই নারী নিজের সন্তানকে ডেরায় নিয়ে এসেছিলেন।

ডেরা এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, আশ্রমের আবাসিকদের মৃত্যুর পর ডেরার অভ্যন্তরেই সমাধিস্থ করা হতো।