ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিবগঞ্জে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার বাবুপাড়ায় যমুনা পাল (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (৩ মার্চ) দিনগত রাতের কোনো এক সময় নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, নিহত যমুনার একমাত্র ছেলে উজ্জ্বল পাল রাজশাহীতে একটি স্বর্ণকারের দোকানে কাজ করেন। ২০ বছর আগে স্বামী সুকুমার তাদের ছেড়ে চলে যাওয়ায় পুত্রবধূ ও নাতির সঙ্গে শিবগঞ্জ পৌর এলাকার বাবুপাড়া গ্রামের লুলুর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন যমুনা। বুধবার রাতে যমুনা ভাড়া বাসায় নিজ ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। এরপর রাতের কোনো এক সময় কে বা কারা তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। সকালে তার ঘরের দরজা খোলা পাওয়া যায় এবং খাটের ওপর তার রক্তমাখা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এদিকে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) টিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

নিহতের ভাই জন পাল এবং বোন জোসনা রানী হালদার তাদের বোন হত্যার বিচার দাবি করেন।

অন্যদিকে, নিহতের ভাতিজি আলো পাল দাবি করেন, কেউ তার ফুপুকে (যমুনা) ঘরে ঢুকে হত্যা করলো, আর বাড়ির লোকজন কিছুই টের পেলেন না, তা হতে পারে না।

তিনি হত্যাকাণ্ডের জন্য তার ভাবিকে (যমুনার পুত্রবধূ) দায়ী করেন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’: স্পিকার হাফিজ

শিবগঞ্জে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

আপডেট সময় ০৫:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার বাবুপাড়ায় যমুনা পাল (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (৩ মার্চ) দিনগত রাতের কোনো এক সময় নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, নিহত যমুনার একমাত্র ছেলে উজ্জ্বল পাল রাজশাহীতে একটি স্বর্ণকারের দোকানে কাজ করেন। ২০ বছর আগে স্বামী সুকুমার তাদের ছেড়ে চলে যাওয়ায় পুত্রবধূ ও নাতির সঙ্গে শিবগঞ্জ পৌর এলাকার বাবুপাড়া গ্রামের লুলুর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন যমুনা। বুধবার রাতে যমুনা ভাড়া বাসায় নিজ ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। এরপর রাতের কোনো এক সময় কে বা কারা তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। সকালে তার ঘরের দরজা খোলা পাওয়া যায় এবং খাটের ওপর তার রক্তমাখা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এদিকে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) টিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

নিহতের ভাই জন পাল এবং বোন জোসনা রানী হালদার তাদের বোন হত্যার বিচার দাবি করেন।

অন্যদিকে, নিহতের ভাতিজি আলো পাল দাবি করেন, কেউ তার ফুপুকে (যমুনা) ঘরে ঢুকে হত্যা করলো, আর বাড়ির লোকজন কিছুই টের পেলেন না, তা হতে পারে না।

তিনি হত্যাকাণ্ডের জন্য তার ভাবিকে (যমুনার পুত্রবধূ) দায়ী করেন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।