ঢাকা ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭ এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭টি এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ১ হাজার ৮৬৩টি গ্রাহক হিসাব বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকায় এই নির্দেশ দিয়েছে।

বিকাশের এজেন্টদের বিষয়ে নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার তা চিঠি ও সিডি আকারে বিকাশ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত এজেন্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকেও (সিআইডি) আলাদাভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

দেশে-বিদেশে প্রবাসী আয় বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক বিশেষ পরিদর্শনে বিকাশের এসব এজেন্টের বিরুদ্ধে অনিয়ম ধরা পড়ে। দেশে প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম খুঁজে বের করতে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরব পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন এজেন্টের একাধিক ব্যক্তিগত হিসাব থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু বেনামে বিকাশের ৮০ হাজার এজেন্ট ৬ লাখ হিসাব পরিচালনা করছে। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘বিকাশের বেশ কিছু হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেক এজেন্ট একাধিক হিসাব পরিচালনা করছে, তাও বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ধীরে ধীরে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও একই নির্দেশনা যাবে।’

বিকাশের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স শামসুদ্দিন হায়দার বলেন, ‘অনিয়ম পেলে আমরা নিয়মিত ভিত্তিতে এজেন্ট ও গ্রাহক হিসাব বন্ধ করে থাকি। তারপরও বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো নির্দেশনা দিলে তা অবশ্যই পালন করা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭ এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় ০২:২৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭টি এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ১ হাজার ৮৬৩টি গ্রাহক হিসাব বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকায় এই নির্দেশ দিয়েছে।

বিকাশের এজেন্টদের বিষয়ে নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার তা চিঠি ও সিডি আকারে বিকাশ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত এজেন্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকেও (সিআইডি) আলাদাভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

দেশে-বিদেশে প্রবাসী আয় বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক বিশেষ পরিদর্শনে বিকাশের এসব এজেন্টের বিরুদ্ধে অনিয়ম ধরা পড়ে। দেশে প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম খুঁজে বের করতে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরব পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন এজেন্টের একাধিক ব্যক্তিগত হিসাব থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু বেনামে বিকাশের ৮০ হাজার এজেন্ট ৬ লাখ হিসাব পরিচালনা করছে। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘বিকাশের বেশ কিছু হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেক এজেন্ট একাধিক হিসাব পরিচালনা করছে, তাও বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ধীরে ধীরে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও একই নির্দেশনা যাবে।’

বিকাশের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স শামসুদ্দিন হায়দার বলেন, ‘অনিয়ম পেলে আমরা নিয়মিত ভিত্তিতে এজেন্ট ও গ্রাহক হিসাব বন্ধ করে থাকি। তারপরও বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো নির্দেশনা দিলে তা অবশ্যই পালন করা হবে।’