ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডেমরায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে পিকআপ চালকের আত্মহত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ডেমরায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে এক পিকআপ চালক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার রাতে ডেমরার বামৈল বালুরমাঠ এলাকার হারুন অর রশিদের বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গলায় ফাঁস দেয়া ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ সবুজ (৩০)। তিনি স্থানীয় হারুন অর রশিদের বড় ছেলে। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই ডেমরা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডেমরা থানার এসআই মো. শরীফ।

পারিবার সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে আইরিন নামে ডেমরার এক মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় সবুজের। পরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে সংসারে কলহ লেগেই থাকত। ২২ ডিসেম্বর আইরিন সবুজকে রেখে চলে যায়।

আরও জানা যায়, শনিবার সকালে সবুজের অন্য দুই ভাই ও বাবা কাজে বেরিয়ে যান। বিকালে সবুজের ছেলে ইয়ামিনকে সঙ্গে নিয়ে বাইরে যান তার মা। সন্ধ্যায় তিনি বাড়ি ফিড়ে দেখেন মেইনগেট ও ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় টিনের চাল দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে দরজা খুলে দেখা যায় সবুজ তার শয়নকক্ষে লোহার অ্যাঙ্গেলের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেমরায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে পিকআপ চালকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৭:০৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ডেমরায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে এক পিকআপ চালক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার রাতে ডেমরার বামৈল বালুরমাঠ এলাকার হারুন অর রশিদের বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গলায় ফাঁস দেয়া ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ সবুজ (৩০)। তিনি স্থানীয় হারুন অর রশিদের বড় ছেলে। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই ডেমরা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডেমরা থানার এসআই মো. শরীফ।

পারিবার সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে আইরিন নামে ডেমরার এক মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় সবুজের। পরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে সংসারে কলহ লেগেই থাকত। ২২ ডিসেম্বর আইরিন সবুজকে রেখে চলে যায়।

আরও জানা যায়, শনিবার সকালে সবুজের অন্য দুই ভাই ও বাবা কাজে বেরিয়ে যান। বিকালে সবুজের ছেলে ইয়ামিনকে সঙ্গে নিয়ে বাইরে যান তার মা। সন্ধ্যায় তিনি বাড়ি ফিড়ে দেখেন মেইনগেট ও ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় টিনের চাল দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে দরজা খুলে দেখা যায় সবুজ তার শয়নকক্ষে লোহার অ্যাঙ্গেলের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছে।