ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা এবারের নির্বাচন নিয়মরক্ষার নয়, এটি জনগণের প্রত্যাশা রক্ষার দায়িত্ব : ইসি সানাউল্লাহ গুম ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’: বিচারপতি মঈনুল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ তিন মাসের মাথায় ফের ‘শাটডাউনে’ মার্কিন সরকার মাঠে থাকুন, মানুষের পাশে দাঁড়ান: নেতাকর্মীদের তারেক রহমান

কারাবাখে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ রাশিয়ার

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে রাশিয়ার শান্তিরক্ষী বাহিনী। নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। এরপরই বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যায় আর্মেনীয়রা।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাদরুত জেলায় ১১ ডিসেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো পক্ষকে দোষারোপ করা হয়নি।

রাশিয়া শান্তিরক্ষী বাহিনীর মুখপাত্র গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অটোমেটিক অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি বিনিময় হয়। তিনি দুইপক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানান।

শনিবার আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। এ ঘটনায় আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আর্মেনিয়ান বাহিনীকে পিষে ফেলার হুমকি দেন।

আলিয়েভ বলেন, আর্মেনিয়ার এটি আবার শুরু করা উচিত না। এটি খুবই সতর্ক হওয়া উচিত এবং কোনো সেনা অভিযানের পরিকল্পনা না করা উচিত। এই মুহূর্তে, আমরা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করব। এটি এখন কারো কাছে গোপনীয় নয়।

এদিকে শনিবার সকালে নাগোরনো-কারাবাখের বাহিনী দাবি করে, আজারবাইজানি সেনার হামলায় তাদের তিনজন নিরপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাগোরনো-কারাবাখ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন দুটি গ্রামে হামলা চালিয়েছে আজারবাইজান।

প্রায় ত্রিশ বছর বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীদের দখলে ছিল। ওই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। ছয় সপ্তাহের টানা যুদ্ধের পর ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এতে ওই অঞ্চলটির বেশিরভাগ আজারবাইজানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আর্মেনিয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান

কারাবাখে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ রাশিয়ার

আপডেট সময় ০৫:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে রাশিয়ার শান্তিরক্ষী বাহিনী। নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। এরপরই বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যায় আর্মেনীয়রা।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাদরুত জেলায় ১১ ডিসেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো পক্ষকে দোষারোপ করা হয়নি।

রাশিয়া শান্তিরক্ষী বাহিনীর মুখপাত্র গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অটোমেটিক অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি বিনিময় হয়। তিনি দুইপক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানান।

শনিবার আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। এ ঘটনায় আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আর্মেনিয়ান বাহিনীকে পিষে ফেলার হুমকি দেন।

আলিয়েভ বলেন, আর্মেনিয়ার এটি আবার শুরু করা উচিত না। এটি খুবই সতর্ক হওয়া উচিত এবং কোনো সেনা অভিযানের পরিকল্পনা না করা উচিত। এই মুহূর্তে, আমরা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করব। এটি এখন কারো কাছে গোপনীয় নয়।

এদিকে শনিবার সকালে নাগোরনো-কারাবাখের বাহিনী দাবি করে, আজারবাইজানি সেনার হামলায় তাদের তিনজন নিরপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাগোরনো-কারাবাখ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন দুটি গ্রামে হামলা চালিয়েছে আজারবাইজান।

প্রায় ত্রিশ বছর বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীদের দখলে ছিল। ওই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। ছয় সপ্তাহের টানা যুদ্ধের পর ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এতে ওই অঞ্চলটির বেশিরভাগ আজারবাইজানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আর্মেনিয়া।