ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

কারাবাখে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ রাশিয়ার

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে রাশিয়ার শান্তিরক্ষী বাহিনী। নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। এরপরই বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যায় আর্মেনীয়রা।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাদরুত জেলায় ১১ ডিসেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো পক্ষকে দোষারোপ করা হয়নি।

রাশিয়া শান্তিরক্ষী বাহিনীর মুখপাত্র গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অটোমেটিক অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি বিনিময় হয়। তিনি দুইপক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানান।

শনিবার আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। এ ঘটনায় আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আর্মেনিয়ান বাহিনীকে পিষে ফেলার হুমকি দেন।

আলিয়েভ বলেন, আর্মেনিয়ার এটি আবার শুরু করা উচিত না। এটি খুবই সতর্ক হওয়া উচিত এবং কোনো সেনা অভিযানের পরিকল্পনা না করা উচিত। এই মুহূর্তে, আমরা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করব। এটি এখন কারো কাছে গোপনীয় নয়।

এদিকে শনিবার সকালে নাগোরনো-কারাবাখের বাহিনী দাবি করে, আজারবাইজানি সেনার হামলায় তাদের তিনজন নিরপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাগোরনো-কারাবাখ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন দুটি গ্রামে হামলা চালিয়েছে আজারবাইজান।

প্রায় ত্রিশ বছর বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীদের দখলে ছিল। ওই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। ছয় সপ্তাহের টানা যুদ্ধের পর ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এতে ওই অঞ্চলটির বেশিরভাগ আজারবাইজানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আর্মেনিয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কারাবাখে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ রাশিয়ার

আপডেট সময় ০৫:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে রাশিয়ার শান্তিরক্ষী বাহিনী। নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। এরপরই বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যায় আর্মেনীয়রা।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাদরুত জেলায় ১১ ডিসেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো পক্ষকে দোষারোপ করা হয়নি।

রাশিয়া শান্তিরক্ষী বাহিনীর মুখপাত্র গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অটোমেটিক অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি বিনিময় হয়। তিনি দুইপক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানান।

শনিবার আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। এ ঘটনায় আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আর্মেনিয়ান বাহিনীকে পিষে ফেলার হুমকি দেন।

আলিয়েভ বলেন, আর্মেনিয়ার এটি আবার শুরু করা উচিত না। এটি খুবই সতর্ক হওয়া উচিত এবং কোনো সেনা অভিযানের পরিকল্পনা না করা উচিত। এই মুহূর্তে, আমরা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করব। এটি এখন কারো কাছে গোপনীয় নয়।

এদিকে শনিবার সকালে নাগোরনো-কারাবাখের বাহিনী দাবি করে, আজারবাইজানি সেনার হামলায় তাদের তিনজন নিরপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাগোরনো-কারাবাখ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন দুটি গ্রামে হামলা চালিয়েছে আজারবাইজান।

প্রায় ত্রিশ বছর বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীদের দখলে ছিল। ওই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। ছয় সপ্তাহের টানা যুদ্ধের পর ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এতে ওই অঞ্চলটির বেশিরভাগ আজারবাইজানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আর্মেনিয়া।