ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কারাবাখে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ রাশিয়ার

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে রাশিয়ার শান্তিরক্ষী বাহিনী। নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। এরপরই বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যায় আর্মেনীয়রা।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাদরুত জেলায় ১১ ডিসেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো পক্ষকে দোষারোপ করা হয়নি।

রাশিয়া শান্তিরক্ষী বাহিনীর মুখপাত্র গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অটোমেটিক অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি বিনিময় হয়। তিনি দুইপক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানান।

শনিবার আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। এ ঘটনায় আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আর্মেনিয়ান বাহিনীকে পিষে ফেলার হুমকি দেন।

আলিয়েভ বলেন, আর্মেনিয়ার এটি আবার শুরু করা উচিত না। এটি খুবই সতর্ক হওয়া উচিত এবং কোনো সেনা অভিযানের পরিকল্পনা না করা উচিত। এই মুহূর্তে, আমরা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করব। এটি এখন কারো কাছে গোপনীয় নয়।

এদিকে শনিবার সকালে নাগোরনো-কারাবাখের বাহিনী দাবি করে, আজারবাইজানি সেনার হামলায় তাদের তিনজন নিরপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাগোরনো-কারাবাখ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন দুটি গ্রামে হামলা চালিয়েছে আজারবাইজান।

প্রায় ত্রিশ বছর বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীদের দখলে ছিল। ওই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। ছয় সপ্তাহের টানা যুদ্ধের পর ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এতে ওই অঞ্চলটির বেশিরভাগ আজারবাইজানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আর্মেনিয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কারাবাখে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ রাশিয়ার

আপডেট সময় ০৫:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে রাশিয়ার শান্তিরক্ষী বাহিনী। নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। এরপরই বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যায় আর্মেনীয়রা।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাদরুত জেলায় ১১ ডিসেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো পক্ষকে দোষারোপ করা হয়নি।

রাশিয়া শান্তিরক্ষী বাহিনীর মুখপাত্র গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অটোমেটিক অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি বিনিময় হয়। তিনি দুইপক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানান।

শনিবার আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। এ ঘটনায় আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আর্মেনিয়ান বাহিনীকে পিষে ফেলার হুমকি দেন।

আলিয়েভ বলেন, আর্মেনিয়ার এটি আবার শুরু করা উচিত না। এটি খুবই সতর্ক হওয়া উচিত এবং কোনো সেনা অভিযানের পরিকল্পনা না করা উচিত। এই মুহূর্তে, আমরা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করব। এটি এখন কারো কাছে গোপনীয় নয়।

এদিকে শনিবার সকালে নাগোরনো-কারাবাখের বাহিনী দাবি করে, আজারবাইজানি সেনার হামলায় তাদের তিনজন নিরপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাগোরনো-কারাবাখ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন দুটি গ্রামে হামলা চালিয়েছে আজারবাইজান।

প্রায় ত্রিশ বছর বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীদের দখলে ছিল। ওই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। ছয় সপ্তাহের টানা যুদ্ধের পর ১০ নভেম্বর রাশিয়ার হস্তক্ষেপে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এতে ওই অঞ্চলটির বেশিরভাগ আজারবাইজানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আর্মেনিয়া।