ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান ভারতীয় ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান কোদাল দিয়ে কুপিয়েই দাদি-ফুফুসহ ৩ জনকে হত্যা করে আকাশ থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

নবজাতক বিক্রির চেষ্টাকালে বাবা আটক,

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের মুলাদীতে ২ মাস বয়সের শিশু সন্তান বিক্রির চেষ্টাকালে সোহরাব হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী।

শনিবার বিকেলে আটক সোহরাব উপজেলা পৌর সদরের পূর্ব তেরচর এলাকায় ভাড়াটিয়া বাসিন্দা এবং স্থানীয় পৌরসভায় সুইপার। তার স্ত্রী পেশায় ভিক্ষুক।

স্থানীয়রা জানান, সোহরাবের আয়-রোজগার কম হওয়ায় স্ত্রীর সাথে তার বাকবিতণ্ডা লেগেই থাকতো। সবশেষ শনিবার দুপুরের পর একই বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এর এক পর্যায়ে শিশু সন্তানকে সোহরাবের কাছে দিয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেয় স্ত্রী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সোহরাব তার শিশু সন্তানকে নিয়ে প্যাদারহাট সিকদার বাড়িতে যায়। এ সময় সোহরাব তার শিশুকে দিয়ে দেয়ার জন্য কিছু টাকা দাবি করেন।

তখন ওই বাড়ির বাসিন্দারা জানতে চায় সে তার সন্তানকে বিক্রি করতে চায় কিনা। সোহরাব তার বিকল্প কোন পথ নেই বলে তাদের জানান। এতে গ্রামবাসীর শিশু পাচারকারী হিসেবে সন্দেহ হলে তারা মুলাদী থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকসহ সোহরাবকে আটক করে।

মুলাদী থানার ওসি ফয়েজ উদ্দীন জানান, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার জের ধরে সোহবার শিশু সন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে বিক্রির চেষ্টা করে। এতে স্থানীয়দের শিশু পাঁচারকারী সন্দেহ হলে তারা থানায় খবর দেয়। পুলিশ তাকে আটক করে। পরবর্তীতে সোহরাবের স্ত্রীকে খবর দিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়। স্ত্রী অভিযোগ করেন সোহরাব বেশীরভাগ সময় মদ খেয়ে মাতাল থাকে। এ কারণে কোন টাকা দেয় না। সে ভিক্ষে করে যা পায় তা দিয়ে কোনভাবে খেয়ে-না খেয়ে থাকে। তারা শিশুটিকে ঠিকমত খাবার দিতে না পাড়ায় সোহরাবকে সন্তানসহ ঘর থেকে বের করে দেয় স্ত্রী। থানার কর্মকর্তারা স্বামী-স্ত্রী দুই জনের সাময়িক বিবাদ মিটিয়ে শিশুটির জন্য কাপড় ও খাবার কিনে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মহিলা কমিশনে ক্ষমা চেয়ে ৫০ শিশুর দায়িত্ব নিলেন সঞ্জয় দত্ত

নবজাতক বিক্রির চেষ্টাকালে বাবা আটক,

আপডেট সময় ১০:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের মুলাদীতে ২ মাস বয়সের শিশু সন্তান বিক্রির চেষ্টাকালে সোহরাব হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী।

শনিবার বিকেলে আটক সোহরাব উপজেলা পৌর সদরের পূর্ব তেরচর এলাকায় ভাড়াটিয়া বাসিন্দা এবং স্থানীয় পৌরসভায় সুইপার। তার স্ত্রী পেশায় ভিক্ষুক।

স্থানীয়রা জানান, সোহরাবের আয়-রোজগার কম হওয়ায় স্ত্রীর সাথে তার বাকবিতণ্ডা লেগেই থাকতো। সবশেষ শনিবার দুপুরের পর একই বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এর এক পর্যায়ে শিশু সন্তানকে সোহরাবের কাছে দিয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেয় স্ত্রী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সোহরাব তার শিশু সন্তানকে নিয়ে প্যাদারহাট সিকদার বাড়িতে যায়। এ সময় সোহরাব তার শিশুকে দিয়ে দেয়ার জন্য কিছু টাকা দাবি করেন।

তখন ওই বাড়ির বাসিন্দারা জানতে চায় সে তার সন্তানকে বিক্রি করতে চায় কিনা। সোহরাব তার বিকল্প কোন পথ নেই বলে তাদের জানান। এতে গ্রামবাসীর শিশু পাচারকারী হিসেবে সন্দেহ হলে তারা মুলাদী থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকসহ সোহরাবকে আটক করে।

মুলাদী থানার ওসি ফয়েজ উদ্দীন জানান, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার জের ধরে সোহবার শিশু সন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে বিক্রির চেষ্টা করে। এতে স্থানীয়দের শিশু পাঁচারকারী সন্দেহ হলে তারা থানায় খবর দেয়। পুলিশ তাকে আটক করে। পরবর্তীতে সোহরাবের স্ত্রীকে খবর দিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়। স্ত্রী অভিযোগ করেন সোহরাব বেশীরভাগ সময় মদ খেয়ে মাতাল থাকে। এ কারণে কোন টাকা দেয় না। সে ভিক্ষে করে যা পায় তা দিয়ে কোনভাবে খেয়ে-না খেয়ে থাকে। তারা শিশুটিকে ঠিকমত খাবার দিতে না পাড়ায় সোহরাবকে সন্তানসহ ঘর থেকে বের করে দেয় স্ত্রী। থানার কর্মকর্তারা স্বামী-স্ত্রী দুই জনের সাময়িক বিবাদ মিটিয়ে শিশুটির জন্য কাপড় ও খাবার কিনে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।