ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মহাকাশ থেকে এলো রহস্যজনক রেডিও সিগন্যাল

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

ভিনগ্রহের প্রাণীদের নিয়ে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই! এ নিয়ে বেশ কিছু চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কেউ হলফ করে বলতে পারেন না, সত্যিই এলিয়েন-দের অস্তিত্ব রয়েছে! কখনও পৃথিবীতে সেইসব প্রাণীদের অদ্ভুত যান নিয়ে আসার কথা কেউ কেউ প্রচার করেছেন। তবে দিনের শেষে দেখা গিয়েছে, সবটাইই রটনা। আদতে ভিনগ্রহী বা তাদের অদ্ভুতদর্শন যানের বাস্তবে অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞানীরা অবশ্য হাল ছাড়েননি। বছরের পর বছর ধরে ভিনগ্রহীদের খুঁজতে দিন-রাত এক করছেন তারা। তবে সেই খোঁজ আন্দাজে চলছে না। অনেক সময় ভিনগ্রহের প্রাণীদের অস্তিত্বের কিছু আবছা প্রমাণ মেলে। সেই অতিসূক্ষ প্রমাণের রেখা ধরেই আবার খোঁজ শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। তেমনই হল আবার।

বিজ্ঞানীদের একটি দলের দাবি, ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও এক অংশ থেকে রহস্যজনক রেডিও সিগন্যাল আসছে। সেই সিগনাল সেকেন্ড-এরও কম সময় স্থায়ী হচ্ছে। তবে সেই সিগন্যাল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর সেই সিগন্যালের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সূর্যের থেকেও কয়েক গুণ শক্তিশালী। ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও নিকটবরতী অংশ থেকে এর আগে এমন ফাস্ট রেডিও সিগন্যাল আসেনি বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

সেই তরঙ্গ এত কম সময় স্থায়ী হচ্ছে যে বিজ্ঞানীরা তার উৎস ধরতে পারছেন না। বিজ্ঞানীরা আন্দাজের বশেই বলছেন, এমন ফাস্ট রেডিও বার্স্টস আসছে ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও অংশ থেকে। হতে পারে ভিনগ্রহের প্রাণীদের ব্যবহার করা কোনও প্রযুক্তির জন্যই এমন রেডিও সিগন্যাল তৈরি হচ্ছে। আর সেই সিগনাল ব্রক্ষ্ণাণ্ডের বাইরে থেকে আসাও অসম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন তারা।

কিয়োশি মাশুই নামের একজন অধ্যাপক জানান, ২৭ এপ্রিল থেকে এই রেডিও সিগনাল আসছে ক্রমাগত। তবে সেটা সেকেন্ড-এরও কম সময় স্থায়ী হচ্ছে। তবে এই সিগনাল মিল্কি ওয়ে থেকে আসছে বলেই আন্দাজ করছেন তিনি।

পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক কিয়োশি মাশুই ও তার টিম এই সিগনালের উৎস খোঁজার কাজে নেমেছেন। এর আগে ২০০৭ সালেও ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও এক অংশ থেকে এমন রেডিও সিগন্যাল এসেছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মহাকাশ থেকে এলো রহস্যজনক রেডিও সিগন্যাল

আপডেট সময় ১০:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

ভিনগ্রহের প্রাণীদের নিয়ে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই! এ নিয়ে বেশ কিছু চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কেউ হলফ করে বলতে পারেন না, সত্যিই এলিয়েন-দের অস্তিত্ব রয়েছে! কখনও পৃথিবীতে সেইসব প্রাণীদের অদ্ভুত যান নিয়ে আসার কথা কেউ কেউ প্রচার করেছেন। তবে দিনের শেষে দেখা গিয়েছে, সবটাইই রটনা। আদতে ভিনগ্রহী বা তাদের অদ্ভুতদর্শন যানের বাস্তবে অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞানীরা অবশ্য হাল ছাড়েননি। বছরের পর বছর ধরে ভিনগ্রহীদের খুঁজতে দিন-রাত এক করছেন তারা। তবে সেই খোঁজ আন্দাজে চলছে না। অনেক সময় ভিনগ্রহের প্রাণীদের অস্তিত্বের কিছু আবছা প্রমাণ মেলে। সেই অতিসূক্ষ প্রমাণের রেখা ধরেই আবার খোঁজ শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। তেমনই হল আবার।

বিজ্ঞানীদের একটি দলের দাবি, ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও এক অংশ থেকে রহস্যজনক রেডিও সিগন্যাল আসছে। সেই সিগনাল সেকেন্ড-এরও কম সময় স্থায়ী হচ্ছে। তবে সেই সিগন্যাল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর সেই সিগন্যালের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সূর্যের থেকেও কয়েক গুণ শক্তিশালী। ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও নিকটবরতী অংশ থেকে এর আগে এমন ফাস্ট রেডিও সিগন্যাল আসেনি বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

সেই তরঙ্গ এত কম সময় স্থায়ী হচ্ছে যে বিজ্ঞানীরা তার উৎস ধরতে পারছেন না। বিজ্ঞানীরা আন্দাজের বশেই বলছেন, এমন ফাস্ট রেডিও বার্স্টস আসছে ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও অংশ থেকে। হতে পারে ভিনগ্রহের প্রাণীদের ব্যবহার করা কোনও প্রযুক্তির জন্যই এমন রেডিও সিগন্যাল তৈরি হচ্ছে। আর সেই সিগনাল ব্রক্ষ্ণাণ্ডের বাইরে থেকে আসাও অসম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন তারা।

কিয়োশি মাশুই নামের একজন অধ্যাপক জানান, ২৭ এপ্রিল থেকে এই রেডিও সিগনাল আসছে ক্রমাগত। তবে সেটা সেকেন্ড-এরও কম সময় স্থায়ী হচ্ছে। তবে এই সিগনাল মিল্কি ওয়ে থেকে আসছে বলেই আন্দাজ করছেন তিনি।

পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক কিয়োশি মাশুই ও তার টিম এই সিগনালের উৎস খোঁজার কাজে নেমেছেন। এর আগে ২০০৭ সালেও ব্রক্ষ্ণাণ্ডের কোনও এক অংশ থেকে এমন রেডিও সিগন্যাল এসেছিল।