ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পিতার পরিকল্পনায় ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যা মা ও বোনের

নোয়াখালীতে ঘাতক পিতা গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মঈন উদ্দিন সাদ্দাম নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন মূল পরিকল্পনাকারী বাবা। গতকাল মামলার অন্যতম আসামি ঘাতক বাবা মোস্তফা চৌধুরীকে গ্রেফতার করে সিআইডি। গ্রেফতার মোস্তফা উপজেলার কাশিপুর মধ্যপাড়ার মৃত রঙ্গু মিয়ার ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সোনাইমুড়ী উপজেলার কাশিপুর মধ্যপাড়া গ্রামে মঈন উদ্দিন সাদ্দামকে (২৭) নিজ বাড়ির উঠানে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বাবা মোস্তফা চৌধুরীর (৫৫) নির্দেশে সাদ্দামের গায়ে আগুন দেন বড় বোন কুলসুম আক্তার ধনি ও মা রায়হানা বেগম। এ সময় আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। আগুনে সাদ্দামের শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়। ২০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ওই বছরের ১৩ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাদ্দাম মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় পরদিন সাদ্দামের স্ত্রী আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সাদ্দামের বাবা, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফা চৌধুরীকে।

এদিকে দুই বছরের বেশি সময় ধরে আসামি মোস্তফা চৌধুরীকে খুঁজছিল পুলিশ। গতকাল ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডির একটি টিম তাকে আটক করে। সোনাইমুড়ী উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকা থেকে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পলাতক মোস্তফা চৌধুরীকে আটক করা হয়। মামলার শুরুতে তদন্তের দায়িত্বে ছিল থানা পুলিশ। পরে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু পিবিআই আসামি মোস্তফা চৌধুরীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির কাছে আসে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পিতার পরিকল্পনায় ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যা মা ও বোনের

আপডেট সময় ০৯:৫২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মঈন উদ্দিন সাদ্দাম নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন মূল পরিকল্পনাকারী বাবা। গতকাল মামলার অন্যতম আসামি ঘাতক বাবা মোস্তফা চৌধুরীকে গ্রেফতার করে সিআইডি। গ্রেফতার মোস্তফা উপজেলার কাশিপুর মধ্যপাড়ার মৃত রঙ্গু মিয়ার ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সোনাইমুড়ী উপজেলার কাশিপুর মধ্যপাড়া গ্রামে মঈন উদ্দিন সাদ্দামকে (২৭) নিজ বাড়ির উঠানে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বাবা মোস্তফা চৌধুরীর (৫৫) নির্দেশে সাদ্দামের গায়ে আগুন দেন বড় বোন কুলসুম আক্তার ধনি ও মা রায়হানা বেগম। এ সময় আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। আগুনে সাদ্দামের শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়। ২০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ওই বছরের ১৩ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাদ্দাম মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় পরদিন সাদ্দামের স্ত্রী আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সাদ্দামের বাবা, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফা চৌধুরীকে।

এদিকে দুই বছরের বেশি সময় ধরে আসামি মোস্তফা চৌধুরীকে খুঁজছিল পুলিশ। গতকাল ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডির একটি টিম তাকে আটক করে। সোনাইমুড়ী উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকা থেকে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পলাতক মোস্তফা চৌধুরীকে আটক করা হয়। মামলার শুরুতে তদন্তের দায়িত্বে ছিল থানা পুলিশ। পরে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু পিবিআই আসামি মোস্তফা চৌধুরীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির কাছে আসে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।