ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

কক্সবাজারের সাবেক ডিসি-এডিসির জামিন বাতিল

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের মামলায় কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাফর আলমের জামিন বাতিল করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। সোমাবর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা লিভ টু আপিলের প্রেক্ষিতে রুহুল আমিন ও জাফর আলমের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে এ আদেশ দেয় হয়।

এই আদেশের ফলে রুহুল আমিন ও জাফর আলমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আদালতে রুহুল আমিন ও জাফর আলমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী স ম রেজাউল করিম।

মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় রুহুল আমিন ও জাফর আলম হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন। হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে দুদক।

মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ৪১৪ একর জমিতে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণ করা চিংড়িঘের, ঘরবাড়িসহ অবকাঠামোর বিপরীতে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয় ২৩৭ কোটি টাকা।

দুদক সূত্র জানায়, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য ২৫টি অস্তিত্বহীন চিংড়ি ঘেরকে তালিকাভুক্ত করে একটি চক্র। এ জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয় ৪৬ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ৩২০ টাকা। এর মধ্যে ১৯ কোটি ৮২ লাখ ৮ হাজার ৩১৫ টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়।

এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর মাতারবাড়ীর ব্যবসায়ী এ কে এম কায়সারুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে সাবেক ডিসি মো. রুহুল আমিন, এডিসি জাফর আলমসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য দুদককে নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ৩ এপ্রিল সাবেক ডিসিসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

কক্সবাজারের সাবেক ডিসি-এডিসির জামিন বাতিল

আপডেট সময় ০৩:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের মামলায় কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাফর আলমের জামিন বাতিল করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। সোমাবর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা লিভ টু আপিলের প্রেক্ষিতে রুহুল আমিন ও জাফর আলমের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে এ আদেশ দেয় হয়।

এই আদেশের ফলে রুহুল আমিন ও জাফর আলমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আদালতে রুহুল আমিন ও জাফর আলমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী স ম রেজাউল করিম।

মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় রুহুল আমিন ও জাফর আলম হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন। হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে দুদক।

মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ৪১৪ একর জমিতে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণ করা চিংড়িঘের, ঘরবাড়িসহ অবকাঠামোর বিপরীতে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয় ২৩৭ কোটি টাকা।

দুদক সূত্র জানায়, ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য ২৫টি অস্তিত্বহীন চিংড়ি ঘেরকে তালিকাভুক্ত করে একটি চক্র। এ জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয় ৪৬ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ৩২০ টাকা। এর মধ্যে ১৯ কোটি ৮২ লাখ ৮ হাজার ৩১৫ টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়।

এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর মাতারবাড়ীর ব্যবসায়ী এ কে এম কায়সারুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে সাবেক ডিসি মো. রুহুল আমিন, এডিসি জাফর আলমসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য দুদককে নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ৩ এপ্রিল সাবেক ডিসিসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।