ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় ভাষাসৈনিক মির্জা মাজহারুলের মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন কিংবদন্তি ভাষাসৈনিক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলাম।

রবিবার সকাল সোয়া নয়টার দিকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে বারডেমের আইসিইউতে ভর্তি হয়েছিলেন ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলাম। করোনাভাইরাসের পাশাপাশি তিনি বার্ধ্যক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

ভাষাসৈনিক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলামকে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। তার আগে বারডেম হাসপাতালে বাদ জোহর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মির্জা মাজহারুল ইসলাম ১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) থেকে এমবিবিএস পাস করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বারডেম হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিফ কনসালটেন্ট ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য তিনি ২০১৮ সালে একুশে পদক পান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনায় ভাষাসৈনিক মির্জা মাজহারুলের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৪:০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন কিংবদন্তি ভাষাসৈনিক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলাম।

রবিবার সকাল সোয়া নয়টার দিকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে বারডেমের আইসিইউতে ভর্তি হয়েছিলেন ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলাম। করোনাভাইরাসের পাশাপাশি তিনি বার্ধ্যক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

ভাষাসৈনিক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলামকে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। তার আগে বারডেম হাসপাতালে বাদ জোহর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মির্জা মাজহারুল ইসলাম ১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) থেকে এমবিবিএস পাস করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বারডেম হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিফ কনসালটেন্ট ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য তিনি ২০১৮ সালে একুশে পদক পান।