ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুই মাসে ২ সিরিজ জয় বাংলাদেশের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০ জার্মানিতে অপদস্থ রেজা পাহলভি, অভিযুক্ত আটক ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধীদলের ১০ জনের কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বিশ্ব, আইইএ প্রধানের সতর্কবার্তা বনানীতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটওভার ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২ ঢাকায় লোডশেডিং ১-২ ঘণ্টা আর গ্রামে ১৪ ঘণ্টা: সংসদে রুমিন ফারহানা সংসদে নারী আসনের সদস্যদের ভূমিকাও জরুরি: সেলিমা রহমান ছাত্রলীগ হামলা করত ‘জয় বাংলা’ বলে, শিবির শুরু করেছে ‘নারায়ে তাকবির’ বলে

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মাল নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সফিকুল ইসলাম লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মো. নাগর মাল একই উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার দুপুরের দিকে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত সফিকুল ইসলামকে বোরহানউদ্দিনের দেউলা ইউনিয়ন থেকে ও মো. নাগরকে একই উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে লালমোহন উপজেলার ওই এক স্কুলছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সফিকুল ইসলাম ও নাগর মাল নিয়ে যায়। এর পর ওই স্কুলছাত্রীকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা গ্রামের সবুজ হাজীর সুপারির বাগানের উত্তর পাশের পুকুর পাড়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে স্কুলছাত্রীকে ওই এলাকার ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন সরকারি আবাসন প্রকল্পের সামনে ফেলে রেখে সফিক ও নাগর পালিয়ে যান।

এ অবস্থায় খবর পেয়ে ওই দিন রাত পৌনে ১২টার দিকে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরে তাকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় শুক্রবার স্কুলছাত্রীর মা সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার আলোকে পুলিশ বোরহানউদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, ভিকটিমের মায়ের মামলার আলোকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই অপহরণ ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দুই মাসে ২ সিরিজ জয় বাংলাদেশের

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৬:২৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মাল নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সফিকুল ইসলাম লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মো. নাগর মাল একই উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার দুপুরের দিকে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত সফিকুল ইসলামকে বোরহানউদ্দিনের দেউলা ইউনিয়ন থেকে ও মো. নাগরকে একই উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে লালমোহন উপজেলার ওই এক স্কুলছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সফিকুল ইসলাম ও নাগর মাল নিয়ে যায়। এর পর ওই স্কুলছাত্রীকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা গ্রামের সবুজ হাজীর সুপারির বাগানের উত্তর পাশের পুকুর পাড়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে স্কুলছাত্রীকে ওই এলাকার ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন সরকারি আবাসন প্রকল্পের সামনে ফেলে রেখে সফিক ও নাগর পালিয়ে যান।

এ অবস্থায় খবর পেয়ে ওই দিন রাত পৌনে ১২টার দিকে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরে তাকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় শুক্রবার স্কুলছাত্রীর মা সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার আলোকে পুলিশ বোরহানউদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, ভিকটিমের মায়ের মামলার আলোকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই অপহরণ ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।