ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে পেটে গুলি লেগেছিল মন্নাস আলীর, ৫৫ বছর পর অস্ত্রোপচারে অপসারণ মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ের পর ২০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ, হুমকি-অপমানে বাবার ‘আত্মহত্যা’ ২০২৭ সালে কমলাপুর পর্যন্ত চালু হচ্ছে মেট্রোরেল কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুবকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, পুলিশ বলছে- মাকে ধর্ষণের প্রতিশোধ নিতে হত্যা নবজাতকের লাশ নিয়ে ফিরছিলেন, পথেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মাল নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সফিকুল ইসলাম লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মো. নাগর মাল একই উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার দুপুরের দিকে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত সফিকুল ইসলামকে বোরহানউদ্দিনের দেউলা ইউনিয়ন থেকে ও মো. নাগরকে একই উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে লালমোহন উপজেলার ওই এক স্কুলছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সফিকুল ইসলাম ও নাগর মাল নিয়ে যায়। এর পর ওই স্কুলছাত্রীকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা গ্রামের সবুজ হাজীর সুপারির বাগানের উত্তর পাশের পুকুর পাড়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে স্কুলছাত্রীকে ওই এলাকার ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন সরকারি আবাসন প্রকল্পের সামনে ফেলে রেখে সফিক ও নাগর পালিয়ে যান।

এ অবস্থায় খবর পেয়ে ওই দিন রাত পৌনে ১২টার দিকে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরে তাকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় শুক্রবার স্কুলছাত্রীর মা সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার আলোকে পুলিশ বোরহানউদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, ভিকটিমের মায়ের মামলার আলোকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই অপহরণ ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৬:২৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মাল নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সফিকুল ইসলাম লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মো. নাগর মাল একই উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার দুপুরের দিকে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত সফিকুল ইসলামকে বোরহানউদ্দিনের দেউলা ইউনিয়ন থেকে ও মো. নাগরকে একই উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে লালমোহন উপজেলার ওই এক স্কুলছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সফিকুল ইসলাম ও নাগর মাল নিয়ে যায়। এর পর ওই স্কুলছাত্রীকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা গ্রামের সবুজ হাজীর সুপারির বাগানের উত্তর পাশের পুকুর পাড়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে স্কুলছাত্রীকে ওই এলাকার ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন সরকারি আবাসন প্রকল্পের সামনে ফেলে রেখে সফিক ও নাগর পালিয়ে যান।

এ অবস্থায় খবর পেয়ে ওই দিন রাত পৌনে ১২টার দিকে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরে তাকে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় শুক্রবার স্কুলছাত্রীর মা সফিকুল ইসলাম ও মো. নাগর মালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার আলোকে পুলিশ বোরহানউদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, ভিকটিমের মায়ের মামলার আলোকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই অপহরণ ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।