ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

খাটের নিচ থেকে ভাইবোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভাইবোনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামে প্রবাসী কামাল মিয়ার বাড়ির খাটের নিচ থেকে তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত দুজনের নাম শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল। শিপা বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর কামরুল সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে প্রবাস ফেরত কামাল মিয়া, তার স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়ে ছাড়া কেউ থাকত না। কামাল গত ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন। বেশ কিছু দিন ধরে কামালের শ্যালক বাদল মিয়া এই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাদলের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার খাদেরপুর গ্রামে। একটি মারামারির মামলায় আসামি হওয়ায় বোনের বাড়িতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন বাদল।

নিহতদের বাবা কামাল মিয়ার আত্মীয় মো. আসিফ জানান, বাদল মিয়া তার বোনদের কাছ থেকে বিদেশ যাওয়ার জন্য ১৪-১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। এরপর কিছুদিন বিদেশ থাকে। বিদেশে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, এমন আশ্বাস দিয়েই টাকা ধার নেয়। সম্প্রতি লকডাউনের কারণে বিদেশ থেকে চলে আসেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সোমবার কামাল মিয়াকে ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল বাদলের। এদিন রাতেই কামাল মিয়ার দুই শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটলো। এদিন বাদলও বাড়িতেই অবস্থান করছিল।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহউদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মামা বাদল মিয়া পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করা গেলেই হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। পুলিশের তিনটি টিম সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এর রহস্য উদঘাটন করা হবে। দুপুরে নিহতদের ময়নাতদন্ত জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ

খাটের নিচ থেকে ভাইবোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভাইবোনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামে প্রবাসী কামাল মিয়ার বাড়ির খাটের নিচ থেকে তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত দুজনের নাম শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল। শিপা বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর কামরুল সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে প্রবাস ফেরত কামাল মিয়া, তার স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়ে ছাড়া কেউ থাকত না। কামাল গত ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন। বেশ কিছু দিন ধরে কামালের শ্যালক বাদল মিয়া এই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাদলের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার খাদেরপুর গ্রামে। একটি মারামারির মামলায় আসামি হওয়ায় বোনের বাড়িতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন বাদল।

নিহতদের বাবা কামাল মিয়ার আত্মীয় মো. আসিফ জানান, বাদল মিয়া তার বোনদের কাছ থেকে বিদেশ যাওয়ার জন্য ১৪-১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। এরপর কিছুদিন বিদেশ থাকে। বিদেশে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, এমন আশ্বাস দিয়েই টাকা ধার নেয়। সম্প্রতি লকডাউনের কারণে বিদেশ থেকে চলে আসেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সোমবার কামাল মিয়াকে ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল বাদলের। এদিন রাতেই কামাল মিয়ার দুই শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটলো। এদিন বাদলও বাড়িতেই অবস্থান করছিল।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহউদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মামা বাদল মিয়া পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করা গেলেই হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। পুলিশের তিনটি টিম সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এর রহস্য উদঘাটন করা হবে। দুপুরে নিহতদের ময়নাতদন্ত জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।