ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে সুখবর দিলেন ড. বিজন কুমার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

শীত মৌসুমের আগেই বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসবে বলে সুখবর দিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীল।

শনিবার (২২ আগস্ট) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

ড. বিজন কুমার শীল বলেন, এখন করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। এমনটা হওয়ার কথা ছিল, কারণ গত ২০ দিন বা তার আগে দেশে অস্বাভাবিক গরম ছিল। ওই সময়টায় আবহাওয়ায় হাই-হিউমিনিটি ছিল। প্রচণ্ড গরমে মানুষের ইমিউনিটি কমে যায়। ওই একই সময়ে আবার বিভিন্ন কারণে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে মানুষের যাতায়াতও বেশি ছিল। ফলে করোনা ভাইরাসেরও যাতায়াত ছিল মানুষের সঙ্গে। মানুষই করোনা ভাইরাস বহন করে। সে কারণে এখন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে ওই অণুজীববিজ্ঞানী আরও বলেন, বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, করোনা ভাইরাস মানুষকে আক্রান্ত করলেও, তীব্রতা এবং আগ্রাসী ভূমিকা অনেকটাই কমে গেছে। অনেকেই ভাইরাসের আক্রান্ত হলেও তার মধ্যে ক্লিনিক্যাল কোনো সাইন দেখা যাচ্ছে না। অনেকেই আক্রান্ত হয়ে আবার নিজের অজান্তেই সুস্থও হয়ে যাচ্ছেন। এটা আমাদের জন্য ভালো এবং সুখবর। শীত মৌসুমের আগেই বাংলাদেশ থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে।

গণস্বাস্থ্যের এন্টিবডি কিট বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কিট বিষয়ে ফেডারেল ড্রাগ অথরিটির (এফডিএ) গাইডলাইন ফলো করতে হবে। এফডিএর গাইডলাইন খুব কঠিন কিছু নয়, সহজ বিষয়। আমরা এর থেকেও অনেক কঠিন কাজ করেছি। তবে সমস্যা হচ্ছে স্যাম্পল ক্যারেক্টাইজ করতে হবে ইন্টারন্যাশনাল গাইড লাইন অনুযায়ী। এরপর সেটাকে আবার রিটেস্ট করতে হবে। এই টেকনিকটা আমাদের দেশে খুব বেশি সহজলভ্য নয়। আমার এটা আমদানি করার জন অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেয়েছি। এটা পেলে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালকে (বিএসএমইউ) দেবো। তারা নতুন করে কিট ইভ্যালুয়েশন করবেন। এন্টিজেনের যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে, সেটা আমাদের দেশে করা কোনোভাবেই করা সম্ভব নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে সুখবর দিলেন ড. বিজন কুমার

আপডেট সময় ০৪:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

শীত মৌসুমের আগেই বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসবে বলে সুখবর দিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীল।

শনিবার (২২ আগস্ট) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

ড. বিজন কুমার শীল বলেন, এখন করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। এমনটা হওয়ার কথা ছিল, কারণ গত ২০ দিন বা তার আগে দেশে অস্বাভাবিক গরম ছিল। ওই সময়টায় আবহাওয়ায় হাই-হিউমিনিটি ছিল। প্রচণ্ড গরমে মানুষের ইমিউনিটি কমে যায়। ওই একই সময়ে আবার বিভিন্ন কারণে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে মানুষের যাতায়াতও বেশি ছিল। ফলে করোনা ভাইরাসেরও যাতায়াত ছিল মানুষের সঙ্গে। মানুষই করোনা ভাইরাস বহন করে। সে কারণে এখন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে ওই অণুজীববিজ্ঞানী আরও বলেন, বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, করোনা ভাইরাস মানুষকে আক্রান্ত করলেও, তীব্রতা এবং আগ্রাসী ভূমিকা অনেকটাই কমে গেছে। অনেকেই ভাইরাসের আক্রান্ত হলেও তার মধ্যে ক্লিনিক্যাল কোনো সাইন দেখা যাচ্ছে না। অনেকেই আক্রান্ত হয়ে আবার নিজের অজান্তেই সুস্থও হয়ে যাচ্ছেন। এটা আমাদের জন্য ভালো এবং সুখবর। শীত মৌসুমের আগেই বাংলাদেশ থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে।

গণস্বাস্থ্যের এন্টিবডি কিট বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কিট বিষয়ে ফেডারেল ড্রাগ অথরিটির (এফডিএ) গাইডলাইন ফলো করতে হবে। এফডিএর গাইডলাইন খুব কঠিন কিছু নয়, সহজ বিষয়। আমরা এর থেকেও অনেক কঠিন কাজ করেছি। তবে সমস্যা হচ্ছে স্যাম্পল ক্যারেক্টাইজ করতে হবে ইন্টারন্যাশনাল গাইড লাইন অনুযায়ী। এরপর সেটাকে আবার রিটেস্ট করতে হবে। এই টেকনিকটা আমাদের দেশে খুব বেশি সহজলভ্য নয়। আমার এটা আমদানি করার জন অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেয়েছি। এটা পেলে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালকে (বিএসএমইউ) দেবো। তারা নতুন করে কিট ইভ্যালুয়েশন করবেন। এন্টিজেনের যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে, সেটা আমাদের দেশে করা কোনোভাবেই করা সম্ভব নয়।